Nayan | WritersCafe.org

Thursday, July 25, 2024

चुल्लू भर पानी की खोज - Stupid search for a puddle


क्या समंदर छोड़ मैं चला
करने चुल्लू भर पानी की खोज?
सोचा था क्यों मुरख मन ने
कि संभलेगा नहीं यह बोझ?

ओस की बूंद व तितली की
स्थिरता को ही क्या चाहा था मैंने?
पर अकल बेच आस्था गँवाकर
क्यों किया था धैर्य से किनारा?

घट घट भटकता मैं चला
लेकरके क्यों फूटा लोटा?
गागर में सागर सिमटने को
क्या बह निकलेगा सारा जल?

कुछ पाने की जद्दोजहद ने क्या
काफ़ी कुछ न होने था दिया?
तो चीखने चिल्लाने व रोने के बजाय
क्यों बेजुबान अब बैठा है आंखें मूंद?

मुस्कान ने क्यों खोया मधुर को?
धैर्य को न मिला क्या साहस का सहारा?
प्यासी अधरें क्या थीं इतनी अंधी?
न दिखा, बारिश से लहरों का उफान?

– नयन
25 जुलाई 2024
दोपहर 11:43, पटना

Wednesday, July 24, 2024

of this man, make a mighty make


The decision to self-destruct -
Was it made in heaven,
or midst the mortal realm?

The proverbial phrase
laughs now at the foolishness
that then seemed real like flesh!

The shimmer of hope
now simmers and shivers,
brooding over and over and over.

This weariness, unending,
now seeks strength from
thy eternal sea of compassion!

For neither guilt nor pain,
neither sadness nor shame,
can bear the burn of infinite run!

No more for forgiveness, can pray;
no more for blame, can game play;
as ultimate growing awaits the shore!

So give not spoon, give not boon;
wish not trade, and wish not shade;
and of this man, make a mighty make!

-- nayan
Wed, 24th July 2024
7:20 pm, Patna

(image courtesy: https://www.pexels.com/search/beach%20sunrise)


Saturday, June 15, 2024

কেউই পুরোপুরি চলে যায় না (No one is gone totally)


কেউই পুরোপুরি চলে যায় না,
কোনও না কোনও অংশ রয়েই যায়।
সে যা কিছুই গিয়েছিল ছুঁয়ে,
সে সবেতেই তার লেশ থাকে লেগে।
জীবনের মরণের সীমানা পেরিয়েও,
অদৃশ্য অসীমে তাকে খুঁজে না পেলেও,
চলে যাওয়া জীবনটি রয়েই যায়
চিরজীবন আমাদের মনের অ্যালবামে।

নয়নের দৃষ্টিপটে হয়ত
আর তাকে দেখা যায় না,
শ্রবণের শক্তিতে হয়ত
আর তাকে ধরা যায় না,
হাঁসিঠাট্টা, কান্না, ভালবাসায়
হয়ত সে আর সাথে থাকে না,
কিন্তু স্মৃতির রেখাগুলোতে
তার আঁকা পথের চিহ্ন পাওয়া যায়।

জেনো যে যতদিন তুমি আছো,
তোমার স্মৃতিতে সেও আছে বেঁচে।
সৃষ্টির অনন্তে রয়েছে সেও
কোথাও কোনও না কোনও রূপে,
শুধু আমাদের জানার বাইরে।
থেমে যেও না, ভেঙে পরো না,
মনে রেখে এই সৌভাগ্য, যে
পথে তার সাথে দেখা হয়েছিল।

দূরে চলে যাওয়ার কারণ
যাই থাকুক না কেন, জেনো যে
কেউই পুরোপুরি চলে যায় না।
বিরহের কঠিন মুহূর্তগুলিতে
তার সাথে জীবনের ভালো
স্মৃতিগুলো যেন সঙ্গে থাকে,
শক্তি যোগায়, ভরসা দেয় -
যেন ভাল থেকো, এগিয়ে যেও।

-- নয়ন
শনিবার, 15 জুন 2024
দুপুর 12:21, পাটনা

Friday, May 31, 2024

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো Lokkhibare Lokkhi Elo

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো

মায়ের কোলে ভুঁয়েতে,

মেয়েটি আজ জননী হলো

বড় মায়ের কৃপা-আলোতে।


ন'মাসের ধারণ আজ পূর্ণ,

দিয়া অপূর্ব আজ জ্বলাতে,

মায়ের প্রাণের শিখা সে যে,

নবশিশু এলো যে আজ ধরাতে।


বাবা মায়ের আনন্দ অশেষ

স্নেহে সুরক্ষিত তাঁরা রেখেছে,

প্রাণটি তাঁদের এই কোমল রূপে

ভালোবাসার ডোরে বেঁধেছে।


স্বপন দেখে চলে মন, জীবনের

ধারায় যেন হোক সে জয়ী।

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো

নাম পড়লো 'আরোহী'।


- নয়ন

শুক্রবার, 31 মে 2023

সকাল 8:45, পাটনা


(গতকাল 30 তারিখে বোনের কন্যা শিশু জন্মের উপলক্ষে লেখা)

Wednesday, May 22, 2024

অসীমত্বের স্পর্শকাতরতা (In Fear and Love of the Infinite)


ভবসাগরের মাঝধারে
নির্বুদ্ধ জীবনের সব দায় 
আমার, রইল কেবলই হায় 
চিরন্তন ভালবাসার প্রতীক্ষা!

অফুরন্ত ভাণ্ডার হতে শেষ,
রাঙা রক্তের শেষ নিমেষ,
ধমনী হতে বইতে বইতে,
আর পারল না শেষে সইতে!

যুগল কণ্ঠের খোঁজে
হৃদযে বেতান ঝংকার বাজে।
স্বপ্নের সুন্দর কে ঠেলে দূরে
ভুল করলে হে অহংকার!

ভুল ত্রুটি ক্ষমা কৃপার ঊর্ধ্বে -
যিনি অসীমের বীণায় বাজান
মানব বক্ষে নির্মলের ছোঁয়া -
তাঁরই শরণাপন্ন আজি, হে সত্য!

প্রাণপণে দিয়ে আজ
অশ্রুজলের অঞ্জলী,
মহাবিশ্বের মাতৃত্বে দিও
মোর মলিনতা মুছিয়ে!

এই করজোর মোর
কভু আর করো না কৃপণ,
সৃষ্টির উৎস হতে ফুটুক
শিরায় শিরায় মঙ্গল তান, হে শিব!

ভালোলাগার ইচ্ছাপটে
চললই বা অনিচ্ছার তাণ্ডব,
তবু দিও গো মতি, করো না
ঝড়ের ঝাপটায় দিকভ্রম!

মৃত্যুর হাতছানিতেও যেন
হোক জীবনের স্পন্দন,
ভাবের অভাবকে পূর্ণ করে, দিও
একাকীত্বের একাত্মতা, হে সুন্দর!

- নয়ন
বুধবার 22 মে 2024
দুপুর 12, পাটনা

Friday, May 17, 2024

ঠিক আছিস তো? (thik achish to?)



অভ্যর্থনা, প্রসংশা বা

শব্দে যত্নের প্রকাশ -

এগুলোর দরকার হয় তখনই,

যখন মানুষের মনের মাঝের

দূরত্বটা শক্তরুপ ধরে থাকে।

কিন্তু সেই দেয়ালটা মিটে গেলে,

সেই মনোমালিন্যটা মুছে গেলে,

আর প্রয়োজন হয়না কৃত্রিমতার -

এত চেষ্টার, এত তুষ্ট করার।

মানুষের নির্মল মনের স্পর্শ

তখনই পাওয়া যায় যখন

সে অপরের ভালোর ইচ্ছায়

নিজেকে হারিয়ে ফেলে, ভুলে যায়...

বা হয়ত কোনও কারণবশত

কারোর মধ্যে কিছু এমন ঘটেছে,

যে সে চোখ খুলে চাইতে পারছে না,

মুখ খুলে বলতে পারছে না আর, 

কিন্তু প্রাণের টানটি তবু জানতে চাইছে...

তখন সে অনায়াসেই বড় হয়ে ওঠে -

চায়না যে অন্য কেউ দেখুক,

চায়না কোনও ঢাক-ঢোল পেটাতেও।

কেবল নির্ভেজাল ভালবাসা

বুক দিয়ে বেরোয় - চোখের দৃষ্টিতে,

নিঃশ্বাসের স্বপ্নে, মুক প্রার্থনায়।

তখন কেবল সেই কথাটি ভেসে আসে -

"ঠিক আছিস তো?"


- নয়ন

শুক্রবার, 17 মে 2024

দুপুর 2:00, পাটনা 

Wednesday, April 17, 2024

ক্ষমা - Forgiveness


জীবনে কোন এক সময় যেন

কাঙালও আর চায় না চাইতে,

তখন হৃদয়টা দূরে চলে যায়,

পারা যায় না আর আটকাতে!


ও যে বললো না পুরোটা খুলে,

আর এ যে পেল না দেখতে

শব্দের ফাঁকের অপ্রকাশিত কথাগুলি -

অবোধ মন যে আর বুঝলো না!


মর্মে লাগা আঘাতের লালরঙ,

তাই সেখানে থাকতে চায়নি এ আর,

যেখানে হতো বারংবার কষ্টের স্পর্শ -

ভালবাসার উপর আত্মসন্মান হয় জয়ী!


একটিমাত্র সুযোগের আশায়

প্রার্থনায় নত মর্মান্তিক হৃদয়টি

নির্মম প্রত্যাখ্যানই পেয়েছিল,

বুকের কষ্ট চেপেও এ ফিরে তাকায়নি!


অভিজ্ঞতার মধুর মুহূর্তগুলি তবু

কিন্তু বারে বারে পড়ে যায় মনে,

কঠোর নির্ণয়ের সামনে সমানে

নিজেকে খাটো করে যায়।


যা হয়ে গেল তা ঠিক হল কিনা,

যা ছিল তা ছিল সত্যি নাকি মনের ভুল,

তা কি কখনই আর জানা যাবে?

বিধাতার দরবারে রবে কেবল ক্ষমা-ভীক্ষা!


রাগ আর অমুক প্রত্যাশা যেন কেউ না করে,

কাছের মানুষকে যেন চলে যেতে বাধ্য না করে।

দূরে থেকেও কেবলই রবে ওর ভালথাকার কামনা -

তাই নিরন্তর বড়মায়ের মন্দিরে প্রার্থনার আর্জি!


- নয়ন

বুধবার, 17 এপ্রিল 2024

দুপুর 2টা, কলকাতা