Nayan | WritersCafe.org

Showing posts with label bangla. Show all posts
Showing posts with label bangla. Show all posts

Wednesday, January 28, 2026

চরম চক্রব্যু Charam Chakravyu


আমার ক্ষুদ্র-বিস্তৃত জীবন,
অসংখ্য এমন ভুলের ক্রম,
যে এটা হয়ে দাঁড়িয়েছে
এক চরম চক্রব্যু!

জীবনের এক একটি ঘটনা
মনে পড়ে আর কাঁদায় -
(আমার) অস্তিত্বের কোমলতম স্থানে
ধারালো ছুরির আঁচড় কাঁটে!

নানান পথের নড়াচড়া,
আর আলো আঁধারের লুকোচুরি
যে এত বোকা বানিয়ে দিতে পারে,
এটা ভীমরতি ধরার আগে বুঝিনি!

হাঁসার পথ আজ বন্ধ-বন্ধ লাগে,
কান্নার পথ বেহাট খোলা থাকে,
চোখের জলেও পরিষ্কার হয় না দৃষ্টি,
নেমে আসে বুকে বেদনার বৃষ্টি!

রুদ্ধ দরজার চাবি-হারানো তালা
কি আটক করে রেখেই দেবে -
চারদেওয়ারীর মাঝে দমবন্ধ পাখিটিকে?
যার জন্ম মুক্তিপথে উড়ে যেতে হয়েছিল!

-- ভাস্কর জ্যোতি ঘোষ 
বুধ, 28 জানুয়ারি 2026
সকাল 10:00, পাটনা

(চিত্রটি perplexity এর মাধ্যমে তৈরি)

Thursday, January 1, 2026

নতুন বছর হোক সবার (Notun Bochhor Hok Sobar)


হঠাৎ আজ টনক নড়ে,
মাথায় আজব খেয়াল পড়ে,
টাইম ট্রাভেল করছি মোরা,
চড়ে তাজব সময় ঘোড়া!

কতই দেখে সাই-ফাই,
মনের ভ্রমে হাই-ফাই,
মিস করেছি সহজ টান,
তাই বুঝি আজ অভিমান?

জীবনটা উল্টে দিলে হয়,
বছরটা পাল্টে দিলে হয়,
চলে যাওয়া তবু আর আসে না,
ঘটে গেছে যা, আর ঘটে না!

মনের ভেতর তাই হুড়োহুড়ি,
বছর শেষে সব তড়িঘড়ি,
যার যা কাজ বাকি রবে,
নতুন দেশে বিচার হবে।

দিনের শেষে ঘুমের দেশে,
মানুষ যে কত আছে ফেঁসে!
বোধ বুদ্ধি কজন জানে,
ভুলকেই হায় সত্য মানে!

যাদের শত শত বলিদান,
রেখেছিল জীবনের মান,
আজ তাদেরই সন্মান,
চায় ভীক্ষে ত্রাণ!

ধরণী মাগো! এবার ধরো,
পাপের ভার পবিত্র করো।
দ্বেষ হিংসা ছেড়ে উঠি মোরা,
ফুটুক প্রেমের ফুলের তোড়া।

ঈশ্বরের কাছে চাই দান,
আশা দাও, দাও প্রাণ!
সময় যেন ঘোরে আবার,
নতুন বছর হোক সবার!

-- ভাস্কর জ্যোতি ঘোষ 
বৃহস্পতি, 1 জানুয়ারি 2026
দুপুর 2:15, বর্ধমানের কাছে,
পাটনা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

(ছবিটি perplexity এর মাধ্যমে তৈরি)

Wednesday, November 19, 2025

সাঁইত্রিশের ঘরে (Saitirisher Ghore)


সাঁইত্রিশ বছর আগে -
এই দিন, এই ক্ষণ -
জন্মেছিল কে যেন
এক অমুল্য ধন।

নিয়ে ভীষণ ভার,
ভুয়েঁ এসে এবার,
পিতার চিন্তার সার,
হয়েছিল কার অভিসার?

সময়ের বহু আগে,
সে যে সময়েরও পার,
ভুস্বর্গে নিজ আধার,
সে খোঁজে দ্বার দ্বার!

স্বপ্নের নদী তীরে,
আটক তার তরণী ধীরে,
বইছে চোখের হিরে,
পরিপূর্ণ সে হবে কী রে?

শব্দ ফোটারও আগে,
দেবী তার নিত্য জাগে;
তাই জন্মসুত্রের অনুরাগে,
হয়েছে সে মুখরিত সেবা ও ত্যাগে!

সময় ঘোরে বার বার,
খুব তার ফেরবদলের ধার,
তাই সাম্যে রাখতে নিজ ভার,
সে অনবরত প্রচেষ্টায় জোরদার!

আপনের পর-এ আর
পর-এর আপনে আগমন,
যথার্থ জগতের অনুকম্পার
আশায় ক্ষত-বিক্ষত তার মন!

শিক্ষিত সুন্দর নিজ নিকেতনে,
মুরলিধরকে ডেকে ডেকে মনে,
সুযোগহীন সে আপন প্রাণে,
জোনাকিকে সোঁপে দিল জীবনে!

হাতে গড়া তাঁর কন্যা-সন্তান,
পরের ধাপে তুলে দিয়েছিলেন বলিদান,
বহু কষ্টে মেয়েটি পেল ত্রাণ,
শেষে হলো রক্ষে দানের মান!

আশাতীত অপরাজিত তার মন,
সব হারিয়ে আসে তার ক্রন্দন,
কিন্তু পরম পূজ্য পবিত্র সে ধন,
দেখা দেয় তার অতীতের স্পন্দন!

ধীরে ধীরে চাঁদের খেলা,
ধরণীতে ধরলো মেলা,
অনেক ঝড়ে সে দুলে দোলা,
শেষে মেটে তার বুকের জ্বালা!

বহু প্রাচীন, সে নয় কিছুতে ক্ষীণ,
জেনে যাক, সে হোক স্বাধীন,
আর না হোক সে সঙ্গীবিহীন,
অন্তরের শক্তিতে আর নয় মিনমিন!

কাটুক জরা, মিটুক খরা,
ভালোবাসা যে তার বুকে ভরা,
তার কর্ম দিয়ে আপন করা,
এবার অভয় দিয়েছে ধরা!

সত্যি কথার মানে,
তার বাজলো এবার কানে,
সে এখন নিজেকে বুঝতে জানে,
ঠাকুরের কৃপায় বন্ধুও এবার জানে!

তাই আশা জীবনকে খোঁজে,
আর জীবন আশায় সাজে,
ধীরে ধীরে পথ চলার মাঝে,
সুরের আলো বীণায় বাজে!

-- ভাস্কর ঘোষ 
বুধ, 19 নভেম্বর 2025
সকল 7টা, পাটনা

(ছবিটি perplexity AI দিয়ে তৈরি)

Sunday, November 9, 2025

জন্মদিনের দোলনায় (Jonmodiner Dolnaye)


জন্মদিনের দোলনায়
তুমি কি দুললে?
দোলার সময় পাশে,
কাউকে কি রাখলে?

যাকে তুমি রাখলে,
তাকে কি তুমিই ডাকলে?
নাকি আগেই সঙ্গে,
সে ছিলই তোমার অঙ্গে?

আপন করার উঠানে,
নাকি ঝগড়ার দালানে,
কোন গভীর ক্ষণে,
সে বাজল তোমার মনে?

সাগরের টানে,
জানোকি তার মানে?
তবে একলা মেঝেতে
বসে কেন সেজে সে?

কোন দুয়ার আগলে,
তুমি সারা রাত জাগলে?
যেন তোমারই প্রাণ সে,
হারিয়ে পাওয়া দান সে!

অচেতন নিমেষে,
যদি মনে ভুল বসেছে,
শুধরে নিও পলকে,
থেকোনা আর বিলেতে!

সে যে বিচারশূন্যে,
ভালোবাসার তুঙ্গে,
কখনোই মেলে না,
ছক কৌশল খাটে না!

যতবার হারবে,
মনে ভুল ভাঙবে,
নতুন করে বাঁচবে,
যদি একসাথে চলবে!

একলা চলে যে,
বড় কথা বলে সে,
তুমি ফিরেছ বাড়িতে,
থেকো না আর আড়িতে!

ছিল কোনও কারণে,
তোমার জীবন বরণে,
তাই আজ দোকা,
তুমি নওকো আর একা!

সময়ের আগে,
ভাগ্য কি জাগে?
তবু কত রঙ নষ্ট,
এত বৃথা কষ্ট!

ক্ষমা ও স্মরণে,
ত্যাগ ও তারণে,
মুছে যাক গ্লানি,
মুক্ত হোক প্রাণী!

ইচ্ছেগুলোর প্রাপ্তি,
যেন আনুক তৃপ্তি,
স্বচ্ছ সুন্দর সৃষ্টি,
আর ঈশ্বরের দৃষ্টি!

-- ভাস্কর ঘোষ
রবি, 9 নভেম্বর 2025
বিকেল 5:10, পাটনা

(ছবিটি পারপ্লেক্সিটি থেকে তৈরি)

Tuesday, August 12, 2025

সাদা-কালো Sada-Kalo (Black and White)


সাদা দৃষ্টি-পটে দেখা পাই,
একটি কুচকুচে কালো পাখি,
আর কালো প্রেক্ষাপটে ভাসি,
পায়রা সাদা মেলে আঁখি।

জোনাকিরা দেয় আলো,
দেখতে যদি লাগে ভালো,
তখন কি আর লাগে হাহাকার,
রাতের নিস্তব্ধ অন্ধকার?

রোদের ধাঁধানো আলোতে,
যখন মাথা ফেটে যায় ব্যথায়,
তখন কি চায় না শরীর,
একটু ছায়া, একটুকু অন্ধকার?

আর সাড়া শব্দ শূন্য পথে,
এক নিবিড় নিশীথ রাতে,
দুরুদুরু বুক চায় না কি তখন,
জোছনা, চাঁদের আলোর মতন?

মাটিতে তৃষ্ণার্ত অবসাদ
দেখেছে আকাশে আজ,
আসে যেন এক ডানা মেলা
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা!

সাদা-কালো তাই মাখা,
জীবনেতে আছে গাঁথা,
মুচকি হাঁসি ও অশ্রু ফোঁটা,
সঙ্গে নিয়ে সিনেমা গোটা!

আবছা আলো, সঘন বাতাস,
মনের মিঠাস, হৃদয়ের হাহুতাশ,
রঙিন তাই চীনেমাটির কাপ-প্লেট,
নিয়ে চলেছে ছায়াছবির সেট!

-- ভাস্কর ঘোস
মঙ্গল, 12 আগস্ট 2025
দুপুর 1:30, পাটনা

Saturday, May 31, 2025

ঈশ্বরের খোঁজ হোক এবারই শুরু Let the Search for Divine begin!

(generated by Google Gemini)


যখন যায় ভেঙে সব ভরসা,
শেষ হয়ে যায় সকল আশা,
কোনো উপায়েই যখন আর করে না কাজ,
সত্যিকারে তবেই ঈশ্বরকে সে চায় আজ!

নয়ত, ঈশ্বরের বন্দনা শুধুই মনের ভ্রম,
কেবল মনভোলানো আশ্বাসের ক্রম,
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ছলনা,
কেবল দেয়া-নেয়ার চুক্তিই তো, তাই না?

সত্যি-সত্যি যখন মানুষ হয় নিঃশেষ,
কাজ করে না আর কোনোই হাপিত্যেশ,
সব হারানোর ভীষন ভয় দিয়ে মনে,
তখনই সে আসে আসলে ঈশ্বরের শরণে!

ভরসা যদি বাইরে তাকায়,
জগৎ যদি মনটা কাঁপায় -
বাহির ভীতের আর সময় কতো?
কাঁচের মতো ঠুনকো সে তো!

অদেখা পথে আশা-আকাঙ্খার হাতছানি,
পার হয়ে আসা ছবিগুলোর স্মৃতি ও গ্লানি,
অস্থির করে দেয় ভয়, মনের জোরের ক্ষয়,
মিথ্যেকেই সত্যি মেনে শক্তিরই অপচয়!

তাই আজই তোমার সময় হলো -
ভিতরের শক্তিরে জাগাও আলো।
নিত্য এ প্রাণে দেবতার জীবন্ত খেলা -
নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে, করো না অবহেলা!

নিজের পানে তাকাও বন্ধু,
তোমা'-আমা' (করার) নেই গো কিছু,
যার রাখার, জেনো, রাখেন সেই,
যা করার, তা করেনও সেই!

জানা গন্তব্যের পথ অজানা, অনন্ত, ক্লান্ত,
সব চেষ্টা বৃথা, মনপ্রাণ একেবারে ক্ষান্ত,
ঈশ্বরের খোঁজ হোক এবারই শুরু,
দিয়ে শেষ প্রাণটুকু সিঞ্চিত কর মরু!

-- ভাস্কর
সকাল 10:30, পাটনা
শনিবার, 31 মে 2025
(লেখাটির শুরু গত মাস থেকেই)



তুমি এসো না আমার কাছে Please don't come to me

(generated by Google Gemini)

তুমি এসো না আমার কাছে,
দয়া করো, থাকতে দাও আমাকে
নিজের মধ্যে লুকিয়ে!

তুমি এলে আমি পারবো না
কেবলই বসে থাকতে,
ফেলফেলে চোখে শুধু চেয়ে থাকতে!

স্পৃহাহীন দাও থাকতে কিছুটা ক্ষণ -
সারা জীবনের দাসত্বে, এটুকুও
স্বাধীনতা কি নেই মোর প্রাপ্য?

তুমি এলে আবার আমায়
উঠতে হবে, বাঁচতে হবে,
খেলতে হবে, তোমার জন্য।

তোমার কষ্ট হয় বাঁচতে না পারলে,
আর আমি চাই মরণেরই পানে চাইতে -
তাই আমায় বাঁচতে হয় তোমার জন্য!

তুমি না এলে আমার বাঁধন থাকে না।
জীবন খেলার ছলনায়
আমাকে আর সায় দিতে হয় না।

কিন্তু তোমার কষ্ট দেখা যায় না!
তুমি কাছে থাকলে, যাতে কষ্টে না থাকো,
তাই আমাকে জোর করে বেরিয়ে আসতে হয়!

এই জবরদস্তি নিজেকে দাঁড় করানো,
জগতে অনিচ্ছা সত্বেও শামিল হওয়া -
আর ভাল লাগে না!

তোমার ভাল চাই, চাইবো চিরজীবন!
কিন্তু আমারও তো চাই দুফোঁটা শ্বাস
চিরক্লান্ত হিয়ায় একটুকু একান্তের আস!

তাই তুমি আর এসো না কাছে।
দয়া করো, থাকতে দাও আমাকে
সবার থেকে দূরে!

-- ভাস্কর
শনিবার, 31 মে 2025
সকাল 9:30, পাটনা

Friday, May 30, 2025

ভগ্নমন্দির Ruins


মৃত্যু, আমায় ডাকবি কবে?
এই নববর্ষের শুভক্ষণে তোকে
জানাতেও যে পারিনা আওহান!

শরীরের শেষে প্রাণ যে হয় না শেষ,
ফিরে আসে সে বার বার করে
মর্তলোকের সেই একই নিমেষ!

দেবালয়ের আশিষেতেও
কেন হয়ে যায় বার বার
মাথায় দায়িত্বের ভার?

এমন নয় যে নেই ভালবাসা,
তবু কেন হেরে যেতে চায় মন,
ত্যাগ করে সব আয়োজন?

সময়ের টানে সাগরের ঢেউ
যেন পাগল হয়ে ওঠে,
চোখের জলে কূলকিনারাই পাই না!

একটু স্বাদ চেয়েছিলাম এই ভুবনে -
কোথায় আটকে গেলাম
এই ভগ্নমন্দিরের কোণে?

যে কষ্টে আনন্দ পায়, সে কষ্ট পেতে চায়,
যে প্রেমে খুশী হয়, সে চায় ভালবাসতে,
যে হেরে গেলে সুখী, সে হেরে যেতেই চায়! 

মানুষ যেটায় আনন্দ পায়, তাই চায়।
আনন্দ না পেতে পারলে, কষ্টে ভোগে সে।
দুঃখ-সুখের খেলায় হায়, দুলতেই থেকে যায়!

কোথায় সূর্য, কোথায় চন্দ্র,
কোথায় গ্রহতারা সব নক্ষত্রবৃন্দ?
জীবনের জয়গানে আজ মোর কন্ঠবন্ধ!

যা নেই তা ভেবে-ভেবে, হয়েছে কাঙাল মন,
যা আছে, সেগুলো যায় যে মিশে ধুলায়!
মরণের পানে চেয়ে-চেয়ে কি বাঁচা যায় জীবন?

প্রতিদিনই যে সংবাদ রটে যায় সকালের সাথে,
একবার যদি সে তাকায় মুখটি তুলে...
দেখ, দেবতা ফুকারিয়া চলে ফকিরের বেশে!

প্রকৃতির পরিবর্তন মাঝেও
জীবনের স্লোগান শোনা যায়,
কিন্তু কীকরে শুনবে সে, যে চায় না শুনতে?

আজ সব শেষ যেন হয়, মাগো!
তুমি বক্ষে একদিন করেছিলে ধারণ,
তবু আজ ত্যাজ্যপুত্র হতে চায় মন!

মেঘে ঢাকা তারারা যদি নাই বেরোয়,
আর মুছে যায় আমার মিথ্যে ভুবন -
তোমার কাছে মাগো, এই মোর আবেদন!

যতদিন চেয়েছি লড়তে, পেয়েছি কেবলই কষ্ট,
তোমার সকল চেষ্টাই তাই মনে হয় আজ বৃথা।
তাই আজ যাক না মুছে আলো, নিবে যাক শিখা! 

আর এত করা যায় না রক্ষা, বার বার করে।
মনে আসে ক্ষণে ক্ষণে, মেনে নেওয়ার কথা।
আর সইতে যায় না পারা - আহত ক্লান্ত মাথা!

মাগো! করেছি নষ্ট তোমার সব পূজ্য দান।
এই কুপাত্রে আর ঢেলো না তোমার বরদান।
হেরে যেতে দাও চলে, শেষ গান ফুরাবার আগে।

-- ভাস্কর
15 এপ্রিল থেকে 30 মে, 2025
পাটনা



Tuesday, April 8, 2025

সাগরের ঢেউ, চাঁদের টান ও সাদা রঙের অতিথি (Sea, waves, moon and white guest)



দূর থেকে উড়ে আসা ঢেউগুলো
আছড়ে পড়তে চায় পারে -
যেন তাদের আর তর সহে না!
সাগরের বিশাল দেহটি জলের -
কেন জানিনা পার খুঁজে পেতেই
আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়!

চাঁদের পূর্ণ জোছনাকে কাছে পেয়ে
যেমন উথাল পাথাল হয়ে যায় সিন্ধু,
তেমনই হয় আবার তাকে খুঁজে না পেলে,
অসীম যন্ত্রণায়, তার বিরহের বেলায় -
বোঝালেও বুঝতে চায় না আর, চায় শুধু
পৃথিবীর বুকে সমস্ত অভিমান উগড়ে দিতে!

সেই আকুল মনের জালা,
সেই পাগল প্রণয় পালা,
জল দেহর অঙ্গ অঙ্গ করে ঘর্ষণ,
হাওয়াকেই পেয়ে দূত সে মনের মতন,
এই নোনা জলের বাষ্প ধোঁয়া -
যা নিয়ে মোর চোখের জলের ছোঁয়া!

হঠাৎ দেখা যায় আকাশে এক ঝাঁক
উড়ে যাওয়া সাদা রঙের অতিথি!
মনহারা সাগরের ঘোলাটে ফেনার ঢেউকে
চাঁদই যেন পাঠিয়েছে কথা -
শান্ত হও, ধৈর্য ধরো, দেখো চেয়ে অন্তরে,
দূরে থেকেও আছি যে কাছে!

-- ভাস্কর ঘোষ
মঙ্গলবার, 8 এপ্রিল 2025
সকাল 7:00

(গুগল জেমিনির মাধ্যমে ছবিটি তৈরি)