Nayan | WritersCafe.org

Showing posts with label tears. Show all posts
Showing posts with label tears. Show all posts

Saturday, May 31, 2025

তুমি এসো না আমার কাছে Please don't come to me

(generated by Google Gemini)

তুমি এসো না আমার কাছে,
দয়া করো, থাকতে দাও আমাকে
নিজের মধ্যে লুকিয়ে!

তুমি এলে আমি পারবো না
কেবলই বসে থাকতে,
ফেলফেলে চোখে শুধু চেয়ে থাকতে!

স্পৃহাহীন দাও থাকতে কিছুটা ক্ষণ -
সারা জীবনের দাসত্বে, এটুকুও
স্বাধীনতা কি নেই মোর প্রাপ্য?

তুমি এলে আবার আমায়
উঠতে হবে, বাঁচতে হবে,
খেলতে হবে, তোমার জন্য।

তোমার কষ্ট হয় বাঁচতে না পারলে,
আর আমি চাই মরণেরই পানে চাইতে -
তাই আমায় বাঁচতে হয় তোমার জন্য!

তুমি না এলে আমার বাঁধন থাকে না।
জীবন খেলার ছলনায়
আমাকে আর সায় দিতে হয় না।

কিন্তু তোমার কষ্ট দেখা যায় না!
তুমি কাছে থাকলে, যাতে কষ্টে না থাকো,
তাই আমাকে জোর করে বেরিয়ে আসতে হয়!

এই জবরদস্তি নিজেকে দাঁড় করানো,
জগতে অনিচ্ছা সত্বেও শামিল হওয়া -
আর ভাল লাগে না!

তোমার ভাল চাই, চাইবো চিরজীবন!
কিন্তু আমারও তো চাই দুফোঁটা শ্বাস
চিরক্লান্ত হিয়ায় একটুকু একান্তের আস!

তাই তুমি আর এসো না কাছে।
দয়া করো, থাকতে দাও আমাকে
সবার থেকে দূরে!

-- ভাস্কর
শনিবার, 31 মে 2025
সকাল 9:30, পাটনা

Wednesday, May 22, 2024

অসীমত্বের স্পর্শকাতরতা (In Fear and Love of the Infinite)


ভবসাগরের মাঝধারে
নির্বুদ্ধ জীবনের সব দায় 
আমার, রইল কেবলই হায় 
চিরন্তন ভালবাসার প্রতীক্ষা!

অফুরন্ত ভাণ্ডার হতে শেষ,
রাঙা রক্তের শেষ নিমেষ,
ধমনী হতে বইতে বইতে,
আর পারল না শেষে সইতে!

যুগল কণ্ঠের খোঁজে
হৃদযে বেতান ঝংকার বাজে।
স্বপ্নের সুন্দর কে ঠেলে দূরে
ভুল করলে হে অহংকার!

ভুল ত্রুটি ক্ষমা কৃপার ঊর্ধ্বে -
যিনি অসীমের বীণায় বাজান
মানব বক্ষে নির্মলের ছোঁয়া -
তাঁরই শরণাপন্ন আজি, হে সত্য!

প্রাণপণে দিয়ে আজ
অশ্রুজলের অঞ্জলী,
মহাবিশ্বের মাতৃত্বে দিও
মোর মলিনতা মুছিয়ে!

এই করজোর মোর
কভু আর করো না কৃপণ,
সৃষ্টির উৎস হতে ফুটুক
শিরায় শিরায় মঙ্গল তান, হে শিব!

ভালোলাগার ইচ্ছাপটে
চললই বা অনিচ্ছার তাণ্ডব,
তবু দিও গো মতি, করো না
ঝড়ের ঝাপটায় দিকভ্রম!

মৃত্যুর হাতছানিতেও যেন
হোক জীবনের স্পন্দন,
ভাবের অভাবকে পূর্ণ করে, দিও
একাকীত্বের একাত্মতা, হে সুন্দর!

- নয়ন
বুধবার 22 মে 2024
দুপুর 12, পাটনা

Friday, February 9, 2024

i miss you terribly


my heart breaks again and again
trying to erase your memories.
how hard it is to forget!
how has the fragile pigment of ink
become so unwashable?

i let tears flow freely
in a vain hope that it shall
rub my slate clean,
and rid me of this pain -
unbearable, illogical, unnecessary!

i miss you terribly, and
moments of pain pulsates
through my very being.
i try to forget, but every little instance
brings you back, live and knocking!

so many words remained unspoken,
so much time remained unspent,
and yet i can speak no more,
i can reachout no further,
somethings are not meant to be!

in this mote of dust
suspended in a sunbeam,
gratefulness is all that i cherish,
that i could live what until now
was just a four lettered word!

it is all that i have, and
it is all that i will keep having,
that i shall be a well-wisher
until the last breath blows,
until my flame flies off!

- nayan
5:40pm, Friday, February the 9th, 2024
patna

Sunday, October 15, 2023

কথা রাখা - Kotha Rakha (Keeping Promise)


মাগো, আসব আমি তোমার কাছে,
থাকব না দূরে এবার পুজোয়,
আশ্বিনের শারদ প্রাতে
দেখবে আমায়, রইল কথা!

পথের পানে জননী তাই
চোখ রেখে রইল বসে,
আসবে আমার প্রাণের প্রদীপ,
কথা দিয়েছে আমাকে যে সে!

ওমা! কেটে গেল যে দশটি দিন,
মিটল সবার পুজোর রাশ,
কেবল মিটল না মায়ের আশ,
তার সন্তানের হায়! ডুবল তরণী!

চিঠি নিয়ে হাতে, বসে ঘরের দ্বারে,
নয়নের জলে আবছা কালি,
"মাগো, আসব তোমার কাছে,
আশ্বিনের শারদ প্রাতে"...

সময়ের সাথে সাথে দুর্বল
কাঁপা কাঁপা হাতে জননী চিঠিতে
লিখে, "আসবি কবে বাবা?"
অশ্রুধারায় নেয় বিদায়!

বহু বছর বাদে, ভগ্ন বাড়ির দ্বারে
পা পড়ে এক ছোট্ট আগন্তুকের।
আবছা কালির লেখায় খোঁজে
সে, হারিয়ে যাওয়া জননীকে!

দূর হতে আসে মহালয়ার গান,
পুরনো চিঠিটির লেখা
আরো আবছা হয়ে যায়,
বের হতে চায় বুকের সমুদ্দুর!

দু'নয়ন যে ভেসে যেতে থাকে...
মায়ের ধুলোয় ঢাকা মুখের দিকে চেয়ে
সে লেখে, ভেজা পাতার শেষে -
"দেখো, এসেছি তো মা!"

শিউলি পলাশও যেন থমকে রয়ে,
ছেলেটি মনে মনে কাঁদে,
একটু দেরি হয়ে গেল, আবার বড় হতে...
তা বলে তুমি চলে গেলে মা!

নয়ন
রবিবার, 15 অক্টোবর, 2023
পাটনা

Friday, September 29, 2023

কাঁদিয়ে দিয়ে গেলি - You touched me deeply, made me cry





সময়ের নিষ্ঠুর শিক্ষার সাথে সাথে
হয়ে উঠেছিলাম আমি এক মৃতের মতো!
মৃত্যুরই কথা চলত সারাক্ষণ এই পাগলাগারদ মাথাতে!

তুই এসে প্রথম ছুঁয়ে গেলি রে,
জীবনের স্বাদ দিয়ে গেলি,
কঠোর মনটাকে গলিয়ে দিয়ে গেলি,
আর ভীষণ ভাবে কাঁদিয়ে দিয়ে গেলি!

মৃত্য তো আসবেই,
তার জন্য আমাদের সারাক্ষণ 
উঠে পরে থাকতে হবে না।
বরং দরকার এই যে,
যে জীবনটা আমি,
সেটাকে পুরোপুরি ফুটে উঠতে দেওয়া,
জীবনটাকে পুরোপুরি বাঁচা,
এই সহজ বুদ্ধিশুদ্ধি তুই-ই বুঝিয়ে গেলি,
কিছু বলে নয়, কিছু করে নয়,
বরং তুই যেমনটা, তোর হাবভাবটাই 
আমার চোখের শেওলাটাকে জল দিয়ে ধুয়ে দিল!


নয়ন
বিকেল 4টা, 29 সেপ্টেম্বর 2023
ঈশা যোগ কেন্দ্রের ক্লিনিকে শুয়ে শুয়ে