Nayan | WritersCafe.org

Showing posts with label learning. Show all posts
Showing posts with label learning. Show all posts

Thursday, October 2, 2025

Relationship is a poison always!


Relationship is a poison always!

Some are harsh -
You understand quickly
That it is a poison
With a bitter taste!

Some are sweet -
By the time you realise
That it is a slow acting poison
The damage is already done!

Society and her agents
Have always sold you lies -
They never revealed to you
The real form of relationship!

Since they were themselves
Trapped in the timeless torture
And could not want you
To be Free of Pain...

That they were shown a vision
Distorted by a mossy glass,
So, they themselves served you
Poison filled sugarcoated pills!

This ship seldom shows a mirror
Hence, they could not see
What they truly are,
And what they have become!

And you too have entered
The homely house of cards
Looking like a chocolate hut,
But, was a maze of hazards!

So, my advice if you seldom ask,
Is to stay away from that urge,
But, if you have already entered,
Then learn patience, let love emerge.

The purpose of life I know not,
But, however fateful it might be,
We need to win over all those
That drive us nuts...

Of the trinity of the universe -
Those tendencies or qualities,
Of the good, the bad, and the ugly,
Of birth, sustenence, and of death,

Life seems a lesson to be learned
On an unending path towards light,
Where the sun burns bright
At the horizon, like a mirage might!

-- Bhaskar Ghosh 
Thursday, 2nd October 2025
Vijayadashami (Dusshera)
10 am, Patna

(image generated by perplexity)

Sunday, September 14, 2025

कर्मफल और उम्मीद का आशियां (Karma Phal aur Umeed ka Ashiyaan)


जैसा किया है करम मैंने,
वैसा ही मिलेगा फल मुझे,
न रहे मुझमें बचकाना भरम,
चाहे कर लूं कोई भी तीरथ धरम!

यह था मेरा ही करम,
जो भुगत रही है वह हरदम,
फल है, है मेरी ही शरम,
है नींव जिंदगी की काफ़ी नरम!

बड़ा पाप किया था मैंने ही,
कि रुलाया था दोस्त को काफ़ी,
अब हमसफ़र की किस्मत फूटी जाय,
लगा रे जबर्दस्त दर्द की हाय!

प्यार को रौंधकर तुम
सुखी न होगे कभी,
जिस कदर दर्द दिया है तुमने,
तड़पाएंगे तुमको भी सभी!

हर दिन मेरे कानों में, सुन,
बजती रहती है यही धुन,
पहन इकतरफा आरोपों का माला,
बढ़ाता हूं मंगल का ही प्याला!

नसीब से मिलता है जीवन में,
साथी जो साथ जिए और साथ मरे,
खोया था उसे नासमझी ने,
दोष चढ़ा जिसपे वह क्या करे!

हां, गलती मुझसे हुई,
कि कर्ण न बन सका मैं,
अफ़सोस रगों में रोज बही,
कि एक और मौका न दे सका मैं!

किस्मत का खेल यह था,
कि दोराहे पर ला खड़ा किया था,
राह एक को ही चुनना था,
असहाय, कुछ कर न सका!

बददुआएं ही हैं, माफ़ी नहीं,
लेकिन फिर भी बदनसीब मैं नहीं,
क्योंकि सौ आंधी अंधेरों में भी
जिंदगी ने दिया एक जुगनू ही!

उसने खुदको मुझमें देकर
बना दिया है मुझको श्वेत,
अकेलापन ने अपनापन पाकर
सींचा उम्मीद के किस्सों की खेत!

अब खुद को न्योछावर करके मैं,
साफ करता अपने दिल का दर्पण,
शांत करूं मैं, शीतल करूं मैं,
हर दर्द को, कर अपना ही तर्पण!

दर्द ने आईना दिखाया है,
जीवन ने जीना सिखाया है,
अब उसमें मैं खुदको देकर,
न भटकूं और हर दर दर!

अक्षों से धो दूं वक्ष कमल,
तौलों मुझको हे नील धवल,
अब और न टालूं कहकर कल,
आज ही हो हर गुरूर का हल!

माटी का तन है मेरा,
हो माटी सा ही मन,
बार बार टूटे फिर बने,
हर कोई पाए ऐसा ही धन!

रंग दूं हर मन को नभ जैसा, 
ले अरुण ऊषा से मैं आशा,
अंगारों और ईंटों से बनाऊं
मैं दुआओं का आशियां!

-- भास्कर घोष 
रवि, 14 सितंबर 2025
सुबह 7 बजे, पटना

(आज हिंदी दिवस है)
(फोटो perplexity द्वारा बनाया गया है)

Saturday, May 31, 2025

ঈশ্বরের খোঁজ হোক এবারই শুরু Let the Search for Divine begin!

(generated by Google Gemini)


যখন যায় ভেঙে সব ভরসা,
শেষ হয়ে যায় সকল আশা,
কোনো উপায়েই যখন আর করে না কাজ,
সত্যিকারে তবেই ঈশ্বরকে সে চায় আজ!

নয়ত, ঈশ্বরের বন্দনা শুধুই মনের ভ্রম,
কেবল মনভোলানো আশ্বাসের ক্রম,
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার ছলনা,
কেবল দেয়া-নেয়ার চুক্তিই তো, তাই না?

সত্যি-সত্যি যখন মানুষ হয় নিঃশেষ,
কাজ করে না আর কোনোই হাপিত্যেশ,
সব হারানোর ভীষন ভয় দিয়ে মনে,
তখনই সে আসে আসলে ঈশ্বরের শরণে!

ভরসা যদি বাইরে তাকায়,
জগৎ যদি মনটা কাঁপায় -
বাহির ভীতের আর সময় কতো?
কাঁচের মতো ঠুনকো সে তো!

অদেখা পথে আশা-আকাঙ্খার হাতছানি,
পার হয়ে আসা ছবিগুলোর স্মৃতি ও গ্লানি,
অস্থির করে দেয় ভয়, মনের জোরের ক্ষয়,
মিথ্যেকেই সত্যি মেনে শক্তিরই অপচয়!

তাই আজই তোমার সময় হলো -
ভিতরের শক্তিরে জাগাও আলো।
নিত্য এ প্রাণে দেবতার জীবন্ত খেলা -
নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে, করো না অবহেলা!

নিজের পানে তাকাও বন্ধু,
তোমা'-আমা' (করার) নেই গো কিছু,
যার রাখার, জেনো, রাখেন সেই,
যা করার, তা করেনও সেই!

জানা গন্তব্যের পথ অজানা, অনন্ত, ক্লান্ত,
সব চেষ্টা বৃথা, মনপ্রাণ একেবারে ক্ষান্ত,
ঈশ্বরের খোঁজ হোক এবারই শুরু,
দিয়ে শেষ প্রাণটুকু সিঞ্চিত কর মরু!

-- ভাস্কর
সকাল 10:30, পাটনা
শনিবার, 31 মে 2025
(লেখাটির শুরু গত মাস থেকেই)



Wednesday, February 19, 2025

বিরহে বড় হয়ে ওঠা - Birohe Boro Hoye Otha


কেমন আছিস, কোথায় আছিস,
কোন অজগাঁয়ে না জানি কত দূর?
কতজনকে তুই করলি আপন,
কেবল আমার যে বক্ষ শূন্য -
বলে মা সন্তানকে না পেয়ে।

সবাই তো পেলো তোমাকে,
শুধু আমিই যে আর পেলাম না,
একবারও কি আর ওগো,
ফিরে আসতে করে না ইচ্ছে? -
বলে প্রেমিকা প্রেমির বিরহে।

চোখটি আমার খোঁজে তোকে,
সাড়া দিস না আর যে ডাকে,
সারা জীবনের দোহাই তোকে,
কোথায় গেলি তুই রে চলে? -
বলে বোনটি ভাইকে হারিয়ে।

হাওয়ায় হাওয়ায় শব্দ ভাসে,
পুত্রের, প্রেমির, ভাইয়ের কন্ঠ আসে -
নেই গো দূরে, আমি আছি কাছেই,
চোখের চাওয়ার ঊর্ধ্বে, দেখো
আমি গেছি সকল চাওয়ার মাঝে!

ওপারেও আছে সেই একই চাঁদ
আকাশ থেকে সে দেখছে যেন
এপার-ওপারের সব জনকে,
দুপারের মাঝে পুল করেছে
চাঁদের রশ্মি, সেই চাঁদনীটাই!

তিন নারীরই কন্ঠ কাতর শুধায়,
প্রাণের আবেগ, প্রাণের বেদনায় -
তোর লাগি বুক আমার করে হায় হায়,
লাগে না ভাল কিছুই করতে রে তাই,
চোখের চাউনি জলে ভেসে যায়।

সময় হয় দূরে যাওয়ার চলে,
আবার হয় ফিরে আসারও কাছে,
দূরেই হোক বা কাছে, বলো না -
ইচ্ছে না থাকলে জোর করে কি
কাউকে কোথাও রাখা যায়?

কর্তব্য ভেবে করো না হে কিছু
ভালবেসে করো যদি পারো,
দেখবে তাতে চাপ হবে না,
কর্মফলে অনুতাপ হবে না,
আর আনন্দও পাবে তা করতে।

নিঠুর কন্ঠ তোর মলম দেয় না,
জ্ঞানের কথা মাথায় ঢোকে না,
বিরহের বেদনা আর যে পোষায় না,
দূরত্বের সময়টা যে কাটতে চায় না,
তাই মনটা কেবল অস্থির হয়ে ওঠে।

সময় দিও, ভালবেসো,
কষ্ট হবে, কিন্তু অপেক্ষা করো,
দেখবে যে টান পবিত্র,
যাতে নেই স্বার্থের লেশ,
তা তাকে ফিরিয়ে আনবে।

কোনও কিছুকে পাওয়ার ইচ্ছে থাকে,
আবার কিছু দেওয়ারও থাকে ইচ্ছে, তবে
ইচ্ছেকে কি জোর করে খাটানো যায়?
এই সহজ সত্যটা বুঝে যাও হে,
তবে মনের অস্থির ভাবটা কমে যাবে।

চোখের বুকে জলের ঢেউ ওঠে,
বুকের মাঝে কেন রুদ্ধ স্বাস লাগে,
আর যে মন মানে না মানা,
এর কি কোনও পথ নেই -
সে কি আর কভু দেবে না ধরা?

যদি ভালবাসা নিষ্পাপ হয়, ওগো
তাহলে আদায় করার চেষ্টা করবে না,
শুধু নির্ভেজাল ভালো চাইবে,
আর তবেই এক নিষ্পাপ মনকে,
জেনো, স্পর্শ করতে পারবে সে।

দূরে বা কাছে, আগে বা পরে -
জেনো এগুলো হল কেবলই ছল,
তুমি যাকে বেঁধেছো প্রাণের সাথে,
সে যে রয়েছে তোমারই প্রতিটি শ্বাসে,
তাই নয়নে আর বহিও না জল।

সত্যটা ঘনিয়ে আসে
যেন সময়ের সাথে সাথে,
আর যে এ কষ্ট পারা যায় না -
ওগো মোর প্রাণের দেবতা,
দয়া করো, তুমি দাও গো সাড়া!

একজন মানুষ অনেক সময়ই
আরেক জনকে কাছে পেতে চায়,
জগৎ-সাগরের মাঝে কখনও আবার
ক্লান্ত একজন হয়ত একান্তও চায়,
তাও সব চাওয়া কি কখনও পূরণ হয়?

কিন্তু মনের বাসনা পবিত্র হলে,
হয়তো বা তা হতেও পারে সম্ভব।
তবে তা সত্যি হোক বা নাই হোক,
তবু ভুলে যেও না, সবই যে বড় হওয়ারই পথ,
সবসময় আছে, সব জায়গাতেই কৃপা!

- ভাস্কর ঘোষ
বৃহস্পিবার, 24 অক্টোবর 2024
ভোর 4:30, ঈশা যোগ সেন্টার, কোয়েম্বাটুর

Thursday, July 25, 2024

चुल्लू भर पानी की खोज - Stupid search for a puddle


क्या समंदर छोड़ मैं चला
करने चुल्लू भर पानी की खोज?
सोचा था क्यों मुरख मन ने
कि संभलेगा नहीं यह बोझ?

ओस की बूंद व तितली की
स्थिरता को ही क्या चाहा था मैंने?
पर अकल बेच आस्था गँवाकर
क्यों किया था धैर्य से किनारा?

घट घट भटकता मैं चला
लेकरके क्यों फूटा लोटा?
गागर में सागर सिमटने को
क्या बह निकलेगा सारा जल?

कुछ पाने की जद्दोजहद ने क्या
काफ़ी कुछ न होने था दिया?
तो चीखने चिल्लाने व रोने के बजाय
क्यों बेजुबान अब बैठा है आंखें मूंद?

मुस्कान ने क्यों खोया मधुर को?
धैर्य को न मिला क्या साहस का सहारा?
प्यासी अधरें क्या थीं इतनी अंधी?
न दिखा, बारिश से लहरों का उफान?

नयन
25 जुलाई 2024
दोपहर 11:43, पटना

Wednesday, May 22, 2024

অসীমত্বের স্পর্শকাতরতা (In Fear and Love of the Infinite)


ভবসাগরের মাঝধারে
নির্বুদ্ধ জীবনের সব দায় 
আমার, রইল কেবলই হায় 
চিরন্তন ভালবাসার প্রতীক্ষা!

অফুরন্ত ভাণ্ডার হতে শেষ,
রাঙা রক্তের শেষ নিমেষ,
ধমনী হতে বইতে বইতে,
আর পারল না শেষে সইতে!

যুগল কণ্ঠের খোঁজে
হৃদযে বেতান ঝংকার বাজে।
স্বপ্নের সুন্দর কে ঠেলে দূরে
ভুল করলে হে অহংকার!

ভুল ত্রুটি ক্ষমা কৃপার ঊর্ধ্বে -
যিনি অসীমের বীণায় বাজান
মানব বক্ষে নির্মলের ছোঁয়া -
তাঁরই শরণাপন্ন আজি, হে সত্য!

প্রাণপণে দিয়ে আজ
অশ্রুজলের অঞ্জলী,
মহাবিশ্বের মাতৃত্বে দিও
মোর মলিনতা মুছিয়ে!

এই করজোর মোর
কভু আর করো না কৃপণ,
সৃষ্টির উৎস হতে ফুটুক
শিরায় শিরায় মঙ্গল তান, হে শিব!

ভালোলাগার ইচ্ছাপটে
চললই বা অনিচ্ছার তাণ্ডব,
তবু দিও গো মতি, করো না
ঝড়ের ঝাপটায় দিকভ্রম!

মৃত্যুর হাতছানিতেও যেন
হোক জীবনের স্পন্দন,
ভাবের অভাবকে পূর্ণ করে, দিও
একাকীত্বের একাত্মতা, হে সুন্দর!

- নয়ন
বুধবার 22 মে 2024
দুপুর 12, পাটনা

Thursday, March 21, 2024

বিচ্ছিন্নতার পার থেকে



ছোট্ট মিনির মনের দশা
পারে না বুঝতে কেউ -
কেন শোনে না মোর মনের কথা,
আমার জবাব দেয় না একটাও?

চোখের জল জিজ্ঞেস করে যায় -
এপার থেকে শব্দের স্পন্দন
কেন হৃদয়ের জানালায় তার
একটুও টোকা দেয় না?

ভালো লাগা মানুষটা হঠাৎ
এরম কীকরে হয়ে গেল?
কোথায় ভুল হল,
কত বড় ভুল হয়ে গেল?

বেদনায় নিজেকেই দুষতে দুষতে
জ্ঞানের কথা শুনতে পায় না মিনি!
ওরে! ভালোবাসা যে এখনও একই,
কেবল জানা চাওয়া রূপটি আর নেই!

অভিমান, দুঃখ, রাগ, আর হিংসেতে
ভিতরটা যেন হাহাকার করে ওঠে!
সে বোঝাতে চেয়েছে বারংবার,
কিন্তু মিনির ভেঙে পড়া মন বোঝেনি!

সে তাই এখন নিশ্চুপ, তার কাছে
শব্দের আঁকিবুকি পৌঁছোয় ঠিকই, 
কিন্তু সে যে আর জবাব দিতে পারে না,
তাই বড় মায়ের চৌখাটে শুধু তার মিনতি!

প্রার্থনার পর প্রার্থনা যেন
ওপার থেকে ভেসে আসা
অবুঝ আওয়াজের প্রতিধ্বনি
হয়ে রয়ে যায় আকাশে!

মিনি হয়ত শুনতে পাবে না আজ,
কিন্তু কোনও একদিন ও বুঝবে।
ভীষন কষ্ট পেয়ে সেও তো বুঝেছিল,
এই বিরাট ভুবনে তার নিজের স্থান!

বড় মায়ের সংসারে, তিনি
যেভাবে রাখেন, সেভাবেই থাকি,
আপন জোর খাটানোর
আস্পর্ধা নেই কারোরই!

কিন্তু ক্ষণিকের 'আমি '-র
চাওয়া পাওয়ার মাঝেই,
বড় 'আমি' হয়ে ওঠার
রয়েছে অদম্য সুযোগ!

মাও যেন বসে আছেন অপেক্ষায়,
সময়ের হাত ধরে যেদিন মুছে
মনের কালি, চোখ মেলে চাইবে মেয়ে,
সমস্ত জবাব পেয়ে যাবে সে!

- নয়ন
বিকেল 5:37,
বৃহস্পিবার, 21 মার্চ 2024
পাটনার কাছেই কোথাও আকাশপথে

Friday, May 4, 2018

Bundle of Blunders

On the chariot of time, I stand
watching my own mistakes
as they ripple one over the other
softly scratching the surface
of my inflated ego, and
slowly by slowly, seeping
deeper through the barely visible
open wounds of my realisation!

Yes, there has been a change...
From being a seeming painter
over a messy canvas,
to becoming the paint itself
in the beautifully crafted marvel
in the hands of the real painter, my master!

I ever feel the constant treble of his words -
Of being pure of hands and hearts,
to touch people's lives,
but before that, get self-touched,
to bring a taste of the highest possibility -
at least, a drop to one and all!

Yet, I've been terribly unsure, within,
and charged to be impractical, outside!
Painfully, trying to reason out a meaning
of my being, my life, my existence -
till he nudged me again and again,
with his endless compassion and patience!

This opportunity, a privilege immense,
bestowed upon this one,
is not an ornament to swell high,
but to bow down,
and be a reflection!
And yet, this unaware forgetfulness of mine,
makes me aware of my unworthiness,
and the path I need to walk
and be on, to bridge the gap!

That the misses of my memory
on the canvas of my consciousness
seem too big to swallow!
A constant reminder has gripped me -
that I'm too small to know anything,
in this world, unparalleled, unbound!
I gasp in awe at my own misses,
and gaze in wonder when
someone silently does the needful!

May be I don't feel the weight right now,
but I know it's growing bigger
with each lapse in my awareness,
though encouraged by assurances,
by those who hit more, and miss less,
I work towards dropping this
unconscious burden,
my bundle of blunders!

- Nayan
24th April 2018, 3.44 pm
On train, Trivandrum to Thrissur