Nayan | WritersCafe.org

Sunday, February 22, 2026

Counting Breaths to my Death


Having long lost it,
Each trial towards recognition 
Is met with deafening disaster,
Leaving me breathless and bound
To the rusted earthly body -
Naked and Numb!

And I find the grip of my hand
Slipping away silently by the second,
And the ship of my hopeless dreams
Sinking slowly in the sand,
Where the only pool of water
Is by my drenched face of tears!

Hence, I stare now, looking for a shade,
And I see two paths that lead to a tree -
One with a thousand thorns, but is shorter,
And the other one paved, but tedious and long -
Which one shall I choose
To save my burning skin from the sun?

This world of lucid lies
Made of Beautiful Butterflies -
Thrives on leaves of tender olives,
Resembling the hope as it dies,
So, shall I travel for a quicker gain,
Or, embark for long with lesser pain?

They say, Timeless I am,
Beyond fear, beyond pain,
Riding through tides of time.
But, I feel wanting, watching -
On crutches of crumbling faith -
Counting Breaths to my Death!

-- Bhaskar Ghosh 
Sun, 22 Feb 2026,
1:26 pm, Kolkata

Wednesday, January 28, 2026

চরম চক্রব্যু Charam Chakravyu


আমার ক্ষুদ্র-বিস্তৃত জীবন,
অসংখ্য এমন ভুলের ক্রম,
যে এটা হয়ে দাঁড়িয়েছে
এক চরম চক্রব্যু!

জীবনের এক একটি ঘটনা
মনে পড়ে আর কাঁদায় -
(আমার) অস্তিত্বের কোমলতম স্থানে
ধারালো ছুরির আঁচড় কাঁটে!

নানান পথের নড়াচড়া,
আর আলো আঁধারের লুকোচুরি
যে এত বোকা বানিয়ে দিতে পারে,
এটা ভীমরতি ধরার আগে বুঝিনি!

হাঁসার পথ আজ বন্ধ-বন্ধ লাগে,
কান্নার পথ বেহাট খোলা থাকে,
চোখের জলেও পরিষ্কার হয় না দৃষ্টি,
নেমে আসে বুকে বেদনার বৃষ্টি!

রুদ্ধ দরজার চাবি-হারানো তালা
কি আটক করে রেখেই দেবে -
চারদেওয়ারীর মাঝে দমবন্ধ পাখিটিকে?
যার জন্ম মুক্তিপথে উড়ে যেতে হয়েছিল!

-- ভাস্কর জ্যোতি ঘোষ 
বুধ, 28 জানুয়ারি 2026
সকাল 10:00, পাটনা

(চিত্রটি perplexity এর মাধ্যমে তৈরি)

Thursday, January 1, 2026

নতুন বছর হোক সবার (Notun Bochhor Hok Sobar)


হঠাৎ আজ টনক নড়ে,
মাথায় আজব খেয়াল পড়ে,
টাইম ট্রাভেল করছি মোরা,
চড়ে তাজব সময় ঘোড়া!

কতই দেখে সাই-ফাই,
মনের ভ্রমে হাই-ফাই,
মিস করেছি সহজ টান,
তাই বুঝি আজ অভিমান?

জীবনটা উল্টে দিলে হয়,
বছরটা পাল্টে দিলে হয়,
চলে যাওয়া তবু আর আসে না,
ঘটে গেছে যা, আর ঘটে না!

মনের ভেতর তাই হুড়োহুড়ি,
বছর শেষে সব তড়িঘড়ি,
যার যা কাজ বাকি রবে,
নতুন দেশে বিচার হবে।

দিনের শেষে ঘুমের দেশে,
মানুষ যে কত আছে ফেঁসে!
বোধ বুদ্ধি কজন জানে,
ভুলকেই হায় সত্য মানে!

যাদের শত শত বলিদান,
রেখেছিল জীবনের মান,
আজ তাদেরই সন্মান,
চায় ভীক্ষে ত্রাণ!

ধরণী মাগো! এবার ধরো,
পাপের ভার পবিত্র করো।
দ্বেষ হিংসা ছেড়ে উঠি মোরা,
ফুটুক প্রেমের ফুলের তোড়া।

ঈশ্বরের কাছে চাই দান,
আশা দাও, দাও প্রাণ!
সময় যেন ঘোরে আবার,
নতুন বছর হোক সবার!

-- ভাস্কর জ্যোতি ঘোষ 
বৃহস্পতি, 1 জানুয়ারি 2026
দুপুর 2:15, বর্ধমানের কাছে,
পাটনা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

(ছবিটি perplexity এর মাধ্যমে তৈরি)

Wednesday, November 19, 2025

সাঁইত্রিশের ঘরে (Saitirisher Ghore)


সাঁইত্রিশ বছর আগে -
এই দিন, এই ক্ষণ -
জন্মেছিল কে যেন
এক অমুল্য ধন।

নিয়ে ভীষণ ভার,
ভুয়েঁ এসে এবার,
পিতার চিন্তার সার,
হয়েছিল কার অভিসার?

সময়ের বহু আগে,
সে যে সময়েরও পার,
ভুস্বর্গে নিজ আধার,
সে খোঁজে দ্বার দ্বার!

স্বপ্নের নদী তীরে,
আটক তার তরণী ধীরে,
বইছে চোখের হিরে,
পরিপূর্ণ সে হবে কী রে?

শব্দ ফোটারও আগে,
দেবী তার নিত্য জাগে;
তাই জন্মসুত্রের অনুরাগে,
হয়েছে সে মুখরিত সেবা ও ত্যাগে!

সময় ঘোরে বার বার,
খুব তার ফেরবদলের ধার,
তাই সাম্যে রাখতে নিজ ভার,
সে অনবরত প্রচেষ্টায় জোরদার!

আপনের পর-এ আর
পর-এর আপনে আগমন,
যথার্থ জগতের অনুকম্পার
আশায় ক্ষত-বিক্ষত তার মন!

শিক্ষিত সুন্দর নিজ নিকেতনে,
মুরলিধরকে ডেকে ডেকে মনে,
সুযোগহীন সে আপন প্রাণে,
জোনাকিকে সোঁপে দিল জীবনে!

হাতে গড়া তাঁর কন্যা-সন্তান,
পরের ধাপে তুলে দিয়েছিলেন বলিদান,
বহু কষ্টে মেয়েটি পেল ত্রাণ,
শেষে হলো রক্ষে দানের মান!

আশাতীত অপরাজিত তার মন,
সব হারিয়ে আসে তার ক্রন্দন,
কিন্তু পরম পূজ্য পবিত্র সে ধন,
দেখা দেয় তার অতীতের স্পন্দন!

ধীরে ধীরে চাঁদের খেলা,
ধরণীতে ধরলো মেলা,
অনেক ঝড়ে সে দুলে দোলা,
শেষে মেটে তার বুকের জ্বালা!

বহু প্রাচীন, সে নয় কিছুতে ক্ষীণ,
জেনে যাক, সে হোক স্বাধীন,
আর না হোক সে সঙ্গীবিহীন,
অন্তরের শক্তিতে আর নয় মিনমিন!

কাটুক জরা, মিটুক খরা,
ভালোবাসা যে তার বুকে ভরা,
তার কর্ম দিয়ে আপন করা,
এবার অভয় দিয়েছে ধরা!

সত্যি কথার মানে,
তার বাজলো এবার কানে,
সে এখন নিজেকে বুঝতে জানে,
ঠাকুরের কৃপায় বন্ধুও এবার জানে!

তাই আশা জীবনকে খোঁজে,
আর জীবন আশায় সাজে,
ধীরে ধীরে পথ চলার মাঝে,
সুরের আলো বীণায় বাজে!

-- ভাস্কর ঘোষ 
বুধ, 19 নভেম্বর 2025
সকল 7টা, পাটনা

(ছবিটি perplexity AI দিয়ে তৈরি)

Monday, November 17, 2025

আসল চাওয়া (Real Wish)



যেখানে কেউ নেই আশেপাশে,
কাঁটা ছেঁড়া, টানা হেঁচড়া না করেই
শান্তিতে যেতে দেয় আমাকে,
এমনই নিরিবিলিতে যেন
মৃত্যু বরণ করতে পারি আমি,
প্রকৃতির মাঝে, যেখানে
ধুলি ধূসর মাটির গন্ধে গন্ধে,
বাতাস হালকা হাসিতে হাঁসে,
আর তাতেই সবুজ ধানের শীষ
আর হলুদ সর্ষে ফুলের দোলা
ছুঁয়ে যায় কাদা মাটি মাখা
স্টেশনে আটক রেলগাড়ির খাঁচার
ভিতর বসে থাকা মনের খেলাঘরের
সেই ছোট্ট অচিন পাখিটিকে!

যদি বেদনা বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ত,
আর কান্না নীল সাগরের ঢেউ হতো,
তাহলে তো বুকের ভিতরটায় আর
এতোটা ব্যথা হতো না, এতো চাপ হতো না।
যদি মনের কথা শোনাবার জন্য
মুখে বাণী হতো, আর শুনবার জন্য
ভালোবাসা আর ধর্যের কান হতো,
তাহলে তো মানুষ বন্ধু পেতো।
যদি এতো টানটান পৃথিবীতে
একটু বইতো পাগলা হাওয়া,
একটু ভয় কম হতো আর
একটু লয় বেশি হতো জীবনে,
তাহলে দেবতা আর দেউলেই থাকতো না,
কুঁড়েঘরেও তাঁকে জীবন্ত পেতে!

সময়ের চারদেয়ারিতে বসে বসে
হয়ত ভুলেই গেছি যে একদিন এমন আসবে
যেদিন এ দেয়াল আর দেয়াল থাকবে না!
যেদিন সিনেমার মতো ঝিলমিল করে ওঠা,
ঊষার আলোয় আলোকিত, রঙে রঙিন, 
আর স্বপ্নের দরজা এতেও দেখা দেবে।
সেদিন তো আর বসে থাকলে চলবে না!
সেদিন স্বয়ং যেন ডাক দেবেন ঠাকুর,
যদি তৈরি না থাকি, যদি হাতছাড়া
হয়ে যায় তাঁকে দেখার শেষ সুযোগ!
তাহলে যে জীবনটাই ফসকে যাবে, বলো?
আর কি তখন আফসোস মিটবে কখনও?
তাই যেন আজ বইছে চোখের জল -
সকল খেলার মাঝে কবে পাবো (তোমাকে) সম্বল?

-- ভাস্কর জ্যোতি ঘোষ 
রবি, 17 নভেম্বর 2025
সন্ধ্যে 7টা, পাটনা

(ছবিটি perplexity AI এর মাধ্যমে তৈরি)

Sunday, November 9, 2025

জন্মদিনের দোলনায় (Jonmodiner Dolnaye)


জন্মদিনের দোলনায়
তুমি কি দুললে?
দোলার সময় পাশে,
কাউকে কি রাখলে?

যাকে তুমি রাখলে,
তাকে কি তুমিই ডাকলে?
নাকি আগেই সঙ্গে,
সে ছিলই তোমার অঙ্গে?

আপন করার উঠানে,
নাকি ঝগড়ার দালানে,
কোন গভীর ক্ষণে,
সে বাজল তোমার মনে?

সাগরের টানে,
জানোকি তার মানে?
তবে একলা মেঝেতে
বসে কেন সেজে সে?

কোন দুয়ার আগলে,
তুমি সারা রাত জাগলে?
যেন তোমারই প্রাণ সে,
হারিয়ে পাওয়া দান সে!

অচেতন নিমেষে,
যদি মনে ভুল বসেছে,
শুধরে নিও পলকে,
থেকোনা আর বিলেতে!

সে যে বিচারশূন্যে,
ভালোবাসার তুঙ্গে,
কখনোই মেলে না,
ছক কৌশল খাটে না!

যতবার হারবে,
মনে ভুল ভাঙবে,
নতুন করে বাঁচবে,
যদি একসাথে চলবে!

একলা চলে যে,
বড় কথা বলে সে,
তুমি ফিরেছ বাড়িতে,
থেকো না আর আড়িতে!

ছিল কোনও কারণে,
তোমার জীবন বরণে,
তাই আজ দোকা,
তুমি নওকো আর একা!

সময়ের আগে,
ভাগ্য কি জাগে?
তবু কত রঙ নষ্ট,
এত বৃথা কষ্ট!

ক্ষমা ও স্মরণে,
ত্যাগ ও তারণে,
মুছে যাক গ্লানি,
মুক্ত হোক প্রাণী!

ইচ্ছেগুলোর প্রাপ্তি,
যেন আনুক তৃপ্তি,
স্বচ্ছ সুন্দর সৃষ্টি,
আর ঈশ্বরের দৃষ্টি!

-- ভাস্কর ঘোষ
রবি, 9 নভেম্বর 2025
বিকেল 5:10, পাটনা

(ছবিটি পারপ্লেক্সিটি থেকে তৈরি)

Thursday, October 23, 2025

Brooding over a Foiled Fortune


In trying to break free
Of this pathetic state of existence,
I fall back again, choiceless,
Into the pathetic state of existence!

Where insecurity runs deep,
Loneliness reigns supreme,
Fulfilment feels scarce,
And appreciation is a glaring need!

Where memory is a trouble,
And every pulse is a pain,
The mind is not free
In a world shackled by chain!

In an uncontrollable urge for change
I stepped so deep into the fire of rain,
That now my perpetual hopelessness
Has started to stare at the void ahead!

And I tremble of the fear of change,
My vision shielded from the sun orange,
Letting the fateful acceptance seep
Through the veins of the dead heap!

Now freedom is a farce,
And salvation is a joke,
The air darkened like pitch
In a heart that coughs of smoke!

I try to wash myself clean
In the murky waters of the waterfall,
But whatever I touch gets stuck -
The sticky glue has engulfed us all!

The mind-wheels are frozen,
The madness that came in dozens,
That made gifts look like curse,
And curses feel like boons!

So discretion was so lost,
And clogged had got the vision,
Of a lamp so dimished and dull
By fear, hesitation, guilt and shame!

So I breathe the air that is tarred,
And I eat the fish that is charred,
And drink the water that is soiled,
Brooding over a fortune that is foiled!

-- Bhaskar Ghosh
Thu, 23rd Oct 2025
Patna, 11:30 am

(image generated by AI using Perplexity)