Nayan | WritersCafe.org

Friday, May 31, 2024

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো Lokkhibare Lokkhi Elo

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো

মায়ের কোলে ভুঁয়েতে,

মেয়েটি আজ জননী হলো

বড় মায়ের কৃপা-আলোতে।


ন'মাসের ধারণ আজ পূর্ণ,

দিয়া অপূর্ব আজ জ্বলাতে,

মায়ের প্রাণের শিখা সে যে,

নবশিশু এলো যে আজ ধরাতে।


বাবা মায়ের আনন্দ অশেষ

স্নেহে সুরক্ষিত তাঁরা রেখেছে,

প্রাণটি তাঁদের এই কোমল রূপে

ভালোবাসার ডোরে বেঁধেছে।


স্বপন দেখে চলে মন, জীবনের

ধারায় যেন হোক সে জয়ী।

লক্ষ্মীবারে লক্ষ্মী এলো

নাম পড়লো 'আরোহী'।


- নয়ন

শুক্রবার, 31 মে 2023

সকাল 8:45, পাটনা


(গতকাল 30 তারিখে বোনের কন্যা শিশু জন্মের উপলক্ষে লেখা)

Wednesday, May 22, 2024

অসীমত্বের স্পর্শকাতরতা (In Fear and Love of the Infinite)


ভবসাগরের মাঝধারে
নির্বুদ্ধ জীবনের সব দায় 
আমার, রইল কেবলই হায় 
চিরন্তন ভালবাসার প্রতীক্ষা!

অফুরন্ত ভাণ্ডার হতে শেষ,
রাঙা রক্তের শেষ নিমেষ,
ধমনী হতে বইতে বইতে,
আর পারল না শেষে সইতে!

যুগল কণ্ঠের খোঁজে
হৃদযে বেতান ঝংকার বাজে।
স্বপ্নের সুন্দর কে ঠেলে দূরে
ভুল করলে হে অহংকার!

ভুল ত্রুটি ক্ষমা কৃপার ঊর্ধ্বে -
যিনি অসীমের বীণায় বাজান
মানব বক্ষে নির্মলের ছোঁয়া -
তাঁরই শরণাপন্ন আজি, হে সত্য!

প্রাণপণে দিয়ে আজ
অশ্রুজলের অঞ্জলী,
মহাবিশ্বের মাতৃত্বে দিও
মোর মলিনতা মুছিয়ে!

এই করজোর মোর
কভু আর করো না কৃপণ,
সৃষ্টির উৎস হতে ফুটুক
শিরায় শিরায় মঙ্গল তান, হে শিব!

ভালোলাগার ইচ্ছাপটে
চললই বা অনিচ্ছার তাণ্ডব,
তবু দিও গো মতি, করো না
ঝড়ের ঝাপটায় দিকভ্রম!

মৃত্যুর হাতছানিতেও যেন
হোক জীবনের স্পন্দন,
ভাবের অভাবকে পূর্ণ করে, দিও
একাকীত্বের একাত্মতা, হে সুন্দর!

- নয়ন
বুধবার 22 মে 2024
দুপুর 12, পাটনা

Friday, May 17, 2024

ঠিক আছিস তো? (thik achish to?)



অভ্যর্থনা, প্রসংশা বা

শব্দে যত্নের প্রকাশ -

এগুলোর দরকার হয় তখনই,

যখন মানুষের মনের মাঝের

দূরত্বটা শক্তরুপ ধরে থাকে।

কিন্তু সেই দেয়ালটা মিটে গেলে,

সেই মনোমালিন্যটা মুছে গেলে,

আর প্রয়োজন হয়না কৃত্রিমতার -

এত চেষ্টার, এত তুষ্ট করার।

মানুষের নির্মল মনের স্পর্শ

তখনই পাওয়া যায় যখন

সে অপরের ভালোর ইচ্ছায়

নিজেকে হারিয়ে ফেলে, ভুলে যায়...

বা হয়ত কোনও কারণবশত

কারোর মধ্যে কিছু এমন ঘটেছে,

যে সে চোখ খুলে চাইতে পারছে না,

মুখ খুলে বলতে পারছে না আর, 

কিন্তু প্রাণের টানটি তবু জানতে চাইছে...

তখন সে অনায়াসেই বড় হয়ে ওঠে -

চায়না যে অন্য কেউ দেখুক,

চায়না কোনও ঢাক-ঢোল পেটাতেও।

কেবল নির্ভেজাল ভালবাসা

বুক দিয়ে বেরোয় - চোখের দৃষ্টিতে,

নিঃশ্বাসের স্বপ্নে, মুক প্রার্থনায়।

তখন কেবল সেই কথাটি ভেসে আসে -

"ঠিক আছিস তো?"


- নয়ন

শুক্রবার, 17 মে 2024

দুপুর 2:00, পাটনা 

Wednesday, April 17, 2024

ক্ষমা - Forgiveness


জীবনে কোন এক সময় যেন

কাঙালও আর চায় না চাইতে,

তখন হৃদয়টা দূরে চলে যায়,

পারা যায় না আর আটকাতে!


ও যে বললো না পুরোটা খুলে,

আর এ যে পেল না দেখতে

শব্দের ফাঁকের অপ্রকাশিত কথাগুলি -

অবোধ মন যে আর বুঝলো না!


মর্মে লাগা আঘাতের লালরঙ,

তাই সেখানে থাকতে চায়নি এ আর,

যেখানে হতো বারংবার কষ্টের স্পর্শ -

ভালবাসার উপর আত্মসন্মান হয় জয়ী!


একটিমাত্র সুযোগের আশায়

প্রার্থনায় নত মর্মান্তিক হৃদয়টি

নির্মম প্রত্যাখ্যানই পেয়েছিল,

বুকের কষ্ট চেপেও এ ফিরে তাকায়নি!


অভিজ্ঞতার মধুর মুহূর্তগুলি তবু

কিন্তু বারে বারে পড়ে যায় মনে,

কঠোর নির্ণয়ের সামনে সমানে

নিজেকে খাটো করে যায়।


যা হয়ে গেল তা ঠিক হল কিনা,

যা ছিল তা ছিল সত্যি নাকি মনের ভুল,

তা কি কখনই আর জানা যাবে?

বিধাতার দরবারে রবে কেবল ক্ষমা-ভীক্ষা!


রাগ আর অমুক প্রত্যাশা যেন কেউ না করে,

কাছের মানুষকে যেন চলে যেতে বাধ্য না করে।

দূরে থেকেও কেবলই রবে ওর ভালথাকার কামনা -

তাই নিরন্তর বড়মায়ের মন্দিরে প্রার্থনার আর্জি!


- নয়ন

বুধবার, 17 এপ্রিল 2024

দুপুর 2টা, কলকাতা

Thursday, March 21, 2024

বিচ্ছিন্নতার পার থেকে



ছোট্ট মিনির মনের দশা
পারে না বুঝতে কেউ -
কেন শোনে না মোর মনের কথা,
আমার জবাব দেয় না একটাও?

চোখের জল জিজ্ঞেস করে যায় -
এপার থেকে শব্দের স্পন্দন
কেন হৃদয়ের জানালায় তার
একটুও টোকা দেয় না?

ভালো লাগা মানুষটা হঠাৎ
এরম কীকরে হয়ে গেল?
কোথায় ভুল হল,
কত বড় ভুল হয়ে গেল?

বেদনায় নিজেকেই দুষতে দুষতে
জ্ঞানের কথা শুনতে পায় না মিনি!
ওরে! ভালোবাসা যে এখনও একই,
কেবল জানা চাওয়া রূপটি আর নেই!

অভিমান, দুঃখ, রাগ, আর হিংসেতে
ভিতরটা যেন হাহাকার করে ওঠে!
সে বোঝাতে চেয়েছে বারংবার,
কিন্তু মিনির ভেঙে পড়া মন বোঝেনি!

সে তাই এখন নিশ্চুপ, তার কাছে
শব্দের আঁকিবুকি পৌঁছোয় ঠিকই, 
কিন্তু সে যে আর জবাব দিতে পারে না,
তাই বড় মায়ের চৌখাটে শুধু তার মিনতি!

প্রার্থনার পর প্রার্থনা যেন
ওপার থেকে ভেসে আসা
অবুঝ আওয়াজের প্রতিধ্বনি
হয়ে রয়ে যায় আকাশে!

মিনি হয়ত শুনতে পাবে না আজ,
কিন্তু কোনও একদিন ও বুঝবে।
ভীষন কষ্ট পেয়ে সেও তো বুঝেছিল,
এই বিরাট ভুবনে তার নিজের স্থান!

বড় মায়ের সংসারে, তিনি
যেভাবে রাখেন, সেভাবেই থাকি,
আপন জোর খাটানোর
আস্পর্ধা নেই কারোরই!

কিন্তু ক্ষণিকের 'আমি '-র
চাওয়া পাওয়ার মাঝেই,
বড় 'আমি' হয়ে ওঠার
রয়েছে অদম্য সুযোগ!

মাও যেন বসে আছেন অপেক্ষায়,
সময়ের হাত ধরে যেদিন মুছে
মনের কালি, চোখ মেলে চাইবে মেয়ে,
সমস্ত জবাব পেয়ে যাবে সে!

- নয়ন
বিকেল 5:37,
বৃহস্পিবার, 21 মার্চ 2024
পাটনার কাছেই কোথাও আকাশপথে

Thursday, March 7, 2024

जाने अंजाने में – Knowingly and Unknowingly


जाने अंजाने में

बहुत से जीवन को

चोट पहुंचाता हूं,

इसीलिए माफ़ी मांगता हूं मैं।


जाने अंजाने में

बहुत से प्राणी

मेरे जीवन को समृद्ध करते हैं,

इसीलिए शीष झुकाता हूं मैं।


जाने अंजाने में

कितने ही क्षण

जीवन की सीख दे जाते हैं,

इसीलिए (ख़ुद को) धन्य मानता हूं मैं।


जाने अंजाने में

सुख, दुख, हंसना व

रोने के बीच डोलता रहता हूं,

इसीलिए मां तुझे याद करता हूं मैं।


जाने अंजाने में

सूखे तपते अधरों में प्यार–परवाह की

शीतल बूंदों की आस लिए बैठता हूं,

इसीलिए दुआ मांगता हूं मैं।


जाने अंजाने में

मटमैले पानी में साफ समझ की

धारा का स्पर्श पाता हूं,

इसीलिए नमन करता हूं मैं।


जाने अंजाने में

तेरे रहम के कलम की

लिखाई को पढ़ पाता हूं,

इसीलिए फिक्र को त्याग पाता हूं मैं।


जाने अंजाने में

अनंत अस्तित्व की झलक में

अपना स्थान समझ पाता हूं,

इसीलिए ख़ुद को अर्पण करता हूं मैं।


– नयन

दोपहर 11:40,

बृहस्पतिवार, 7 मार्च 2024

पटना

Monday, February 19, 2024

মনের কথা - Heart's words

 


তোর জীবনে হয়ত ছিল
আগেও কেউ কেউ,
কিন্তু আমার জীবনে
তুইই ছিলিস আমার 
প্রথম মনের মানুষ!

আমি জানিনা কবে
আমার এ কী হল -
কঠোর নিষ্প্রাণ হৃদয়টা
একেবারে গলে গেল,
আমার পুরো মনটা জুড়ে
হয়ে উঠেছিলি কেবল তুই!

গোটা জীবনটা ধরে
আমার, আমি কেবল
আমার কাজটাকেই
দিয়েছিলাম সব মান,
তুইই তো শেখালি যে
দিতে হয় সময় আরেকজন কে!

জীবনে প্রথমবার আমি 
সবকিছু ফেলে চাইলাম তোকে,
জীবনটাকে তোর চারিদিকে
ঘিরে বানাতে চাইলাম, আর
পাথরে হল প্রাণের সঞ্চার,
ভেসে উঠল মনে আনন্দের ধারা!

ফোনটা বাজলে মনে হতো
যেন তুই করেছিস কল,
আমি কান পেতে থাকতাম
তোর আওয়াজটা শুনব বলে,
ঘুমেও জেগে আনন্দ হতো,
শিখছিলাম ভালোবাসতে!

কিন্তু তুই হয়ত কখনও
দেখিসনি আমাকে সেভাবে, 
যেভাবে দেখেছিলাম 
আমি তোকে মনেতে,
তাই খুব কেঁদেছি হয়ত 
তুই কথা না বললে, রেগে গেলে!

সেই দীর্ঘ সপ্তাহে
যখন পেতাম না সাড়া,
ভালোবাসা, দুঃখ, অভিমান
খিচুড়ি পাকিয়ে গেছিল,
তোর ব্যস্ততা কেটে গেলে
তোকে জিজ্ঞেস করেছিলাম!

তোর উত্তরে করেছিলাম
শক্ত মনে সামলানোর চেষ্টা,
কথায় বুঝতে দিইনি হয়ত,
যদিও খুব কঠিন কেটেছিল
সময়টা! কিন্তু তুই আগের মতোই 
ছিলিস, আমিই ভুল বুঝেছিলাম!

আবার বন্ধুর মতো সময়ে
অনেকে পারেনা ফিরে যেতে,
কিন্তু আমি পেরেছি মনে হয়,
যদিও মাঝে মাঝেই কেঁদে ওঠে প্রাণ,
চোখ, কান, মন মনে করিয়ে দেয়,
তখন আর পারিনা সামলাতে!

আগে কখনও কোনও মেয়েকে 
শুনিনি এতো কাছ থেকে,
দেখিনি এতো মন দিয়ে,
বুঝিনি এতো গভীর ভাবে,
আবেগে, বিচারে, স্মৃতিতে, অনুভূতিতে
সবেতেই লেগে গেছিলি রে তুই!

লোকে আমাকে বোকা বলবে,
কিন্তু আমি জানি যে জীবনের
এই অনুপম উপহারটা আমাকে
বিপুলভাবে সমৃদ্ধ করেছে,
শিখিয়েছে ভালোবাসতে,
শিখিয়েছে বাঁচতে!

হয়ত অন্য কেউ এসে
তোর জায়গাটা নিয়ে নেবে,
হয়ত তোর সাথে কথা
ধীরে ধীরে কমে আসবে,
কিন্তু হৃদয়ের অন্তরটা
সেইরকমই রয়ে যাবে!

দরকারে ডাকবি তো আমায়?
যদি ফোন না তুলি, জানবি যে 
কষ্ট হচ্ছে সামলাতে, বা 
কোথাও পড়েছি আটকে,
জানান দিয়ে রাখিস, আমি 
সামলে গেলে সাড়া দেব নিশ্চয়ই!

চিরকাল থাকিস স্মৃতিতে ও স্নেহে -
চিরকাল রাখিস স্মৃতিতে ও স্নেহে -
এটা এসে চলে যাওয়া নয়, শুরু বা শেষও নয়, 
জীবনটা আসলে চলে না সরল রেখায়, 
বরং বয়েই যায় ভালোবাসায়!



- নয়ন 
19 ফেব্রুয়ারী 2024 
সন্ধ্যা 6:30, পাটনা