Nayan | WritersCafe.org

Showing posts with label creation. Show all posts
Showing posts with label creation. Show all posts

Saturday, October 5, 2024

সত্যের ছোঁয়ায় - Sotyer Chhonwaye (In Touch Of Truth)


একটা মানুষকে কাছে পেতে
হয়ত আমরা মিথ্যে বলতেই পারি,
কিন্তু মিথ্যে বলে কাউকে যে পাওয়া যায় না,
সত্য এক না একদিন বেরিয়ে আসেই।

মিথ্যা বহুরূপী -
দরকার অনুসারে রূপ পাল্টায়।
সত্য চিরস্থায়ী চিরন্তন -
সময়ের সাথে তা বদলে যায় না।

মিথ্যের মুখোশ লাগে -
তার সাজসজ্জার দরকার পড়ে।
সত্য উলঙ্গ শিশুর মতো সুন্দর -
তাকে ঢাকতে আবরণ লাগে না।

প্রত্যেক মানুষের আপন আপন মিথ্যে হয়,
মিথ্যে অধিকার-অধিপত্যের আভাস দেয়।
সত্যকে কেনা সম্ভব নয়,
সত্যের আমার-তোমার হয় না।

মিথ্যের শুরু হয়, শেষ হয় -
তাকে ঘিরে তাই হারিয়ে ফেলার ভয়ও হয়।
সত্য চিরশাশ্বত, অনাদি-অনন্ত -
সত্যের স্পর্শ ভয়ভঞ্জন করে।

মিথ্যে ক্ষণিক সুখ দেয়, দমবন্ধ করে,
একটা মিথ্যেকে ঢাকতে আরেকটা লাগে।
সত্যের কোনও অবলম্বন লাগে না,
কষ্ট দিলেও তা কিন্তু মুক্ত করে।

এই দেহের খেলোনা, এই মনের ছলনা,
এই জগৎ-সংসারের জল্পনা-কল্পনা,
তার মাঝে এই আলো-আঁধারের খুংশুটি -
মিথ্যের এই খেলাটা কি না করলেই নয়?

কতকিছুই না আমরা করে থাকি
আমাদের ব্যক্তিগত মিথ্যেটুকুকে বাঁচাতে,
সবই কিন্তু একদিন হাতছাড়া হয়ে যায় -
এই সত্যটাকে যদি একবার দেখতে পাই!

আমাদের মধ্যে যে স্বাস-প্রশ্বাসটি চলে -
ঈশ্বরের শাশ্বত উপস্থিতি জানায়, অনবরত।
তার ছোঁয়া যদি একবার আমরা পাই, সজ্ঞানে -
তাহলে আর সত্যকে ঢাকতে মিথ্যেগুলো লাগবে না।

যা দিয়ে প্রত্যেকটা ছবি ফুটে উঠছে,
প্রতিটা রঙ চোখ মেলে তাকাচ্ছে,
আর তাতে প্রাণের স্পন্দন দেখা দিচ্ছে -
সৃষ্টিকর্তা কী তুলি ধরেছেন হাতে!

সৃষ্টির এই অন্তহীন ক্যানভাসে
প্রকৃতির এই অবাক করে দেওয়া ঝলক
কি থমকে দেয় না মনের অন্তর?
তাহলে কেন ফেঁসে আছো এই ঝামেলায়?

সত্যই ব্রহ্ম, সত্যই ঈশ্বর, 
সত্যই পরম সুন্দর!
জনম-মরণ, সুখ-দুঃখের ঊর্ধ্বে,
সত্যই চিরশাশ্বত জীবন!

আজ আদ্যাশক্তির আওহানে
গগনে-গগনে ধ্বনিত জীবনের জয়গান -
ঘুম ছেড়ে ওঠো, ফেলে এই মিথ্যে তাড়না -
সত্যের ছোঁয়ায় আজ তোমার আমন্ত্রণ!


-- ভাস্কর ঘোষ
শনিবার, 5 অক্টোবর 2024
১৪৩১ এর আশ্বিনের দুর্গাপুজোর তৃতীয়া 
সকাল 10:24, পাটনা


Thursday, August 1, 2024

নবজাতকের অংকুর - Nobojatoker Onkur


বর্ষায় বাহিরের তপ্ত ধরা
যেমন ভিজে তৃপ্ত হয়ে যায়,
তেমনই বন্ধ বাহনে বসা
মানুষটির শুষ্ক অধরও 
জানালার গা বেয়ে পড়তে থাকা
জলের ধারাকে দেখে নেচে ওঠে!

বসুন্ধরা যখন নিজেকে দিয়ে দেয়
মেঘের ছায়ায়, বর্ষার আলিঙ্গনে,
তখন তার অঙ্গ অঙ্গ বেয়ে বহে
জীবনদায়িনী রসের ছোঁয়া,
আর যে সকলকে সে ধারণ করে,
সে সবই পেয়ে যায় নবজীবনের স্পর্শ!

মাটি হয়ে ওঠে সবুজ,
পুকুর ও নদী টইটুম্বুর,
গাছেরা পরিষ্কার পবিত্র,
ধরণীর লাজ হয় রক্ষা,
পশুপক্ষী হরষে হয় পুলকিত,
চারিদিকে তখন আনন্দের ফুলকি।

পৃথিবীর চৌচির বুকে জাগে
আবার করে জীবনের স্পন্দন,
আর সৃষ্টি আবার স্বাস ফেলে,
সৃজনের ছোট্ট ছোট্ট হাত ধরে
তাই আজ ফোটে নবজাতকের অংকুর,
আবার করিয়ে দিয়ে মনে, মাটিই যে মা!

-- নয়ন
বৃহস্পতি, 1 আগস্ট 2024
দুপুর 12টা, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস,
আসানসোলের কাছে

Wednesday, June 8, 2022

सृजन की लीला - Srijan ki Lila - Play of Creation


पुराने मरते शरीरों से
नया इंसान जनम लेगा।
पुरानी सृष्टि की कब्र पे ही
नया जंगल खड़ा होगा।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

मुरझाए सूखे फूलों से
नई कलियां खिल आएंगी।
पेड़ों की पुरानी शाखों में ही
नई टहनियां निकलेंगी।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुराने सड़ते पत्तों से
नये पौधें शकल लेंगे।
कीटों के अवशेषों से ही
नये केचुएं पैदा होंगे।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुराने टूटे बस्तियों से
नया शहर खड़ा होगा।
पुराना किला जहां आज है,
वहां कल नया घर होगा।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुराने भूले भटकों को
नई राह दिखलेगा।
हुए गुमराह जो आज हैं,
उन्हें भी अकल आयेगा।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुराने दिल के अफसोसों में
नये उमंग आ जायेंगे।
तड़पते हुए बेजुबानों में भी
नये सुर धुन लेंगे।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुराने दुखों की छाया से
नई खुशियां पनपेंगी।
पुराने बिलखते लोगों में ही
नई आशा भी आयेगी।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

पुरानी मिटती मानवता से
नया मानव उभरेगा।
पुराना समाज जाने पर ही
नया नियम चालू होगा।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

जहां जनम आज, कल मरण होगा,
खुशियां जहां, वहां कल दुख होगा,
विपरीत भी बिलकुल इसका सही है
बदलाव जीवन का ही ढंग है।

डर और मातम के अंधेर से
कल सुख-चैन की भी सुबह होगी।
और बंजर मरती मिट्टी में हम,
फूंक देंगे जीवन हरियाली।

यह मौत नहीं है जीवन है,
नित्य सृजन की लीला है।

-- नयन
बुधवार, 8 जून, 2022
पटना

(Image Courtesy: https://www.azocleantech.com/amp/article.aspx?ArticleID=1007 )

Tuesday, June 7, 2022

That which Is



That which is Perceiving
is That which Is -
this play of myriad
forms and faces,
colours and shapes,
smells and sounds.

This mysterious creation
that captures attention -
ours, towards herself
every single moment -
is also the place
for deeper recognition
of our true self -
That is Witnessing all this.

The experiences
of Pain and Suffering,
of Loss and Missing someone -
How different these are
from the experiences
of Pleasure and Happiness,
of Gain and Company!
And yet how so similar!

This experiencing of
That which Not Is -
as true, for ourselves - 
Is that that fuels
this colourful cinema.
But the essence is
not the experience
but the experiencer.

True Myths, and
Existant Dreams -
Not that need to discard -
but, the way we cling to
our bound beliefs -
Unwilling to let go
and explore beyond -
Is that that sheathes us
from the Infinite Oneness.

Of Opinions and Arguments,
Of Judgements and Reactions -
our lives have been jailed
in that that we believe
that we know to be true.
Yet, if we allow ourselves, then
At the Moment of Withdrawing
from all the actions and efforts,
in that lap of silence,
we touch a space
that is untouched -
That which Is -
Our true self!

-- nayan
Tuesday, 7th June, 2022
Patna

(Image Courtesy: https://fineartamerica.com/profiles/joseph-hennig )

Friday, December 11, 2020

বারবার কেন... ? Bar bar keno... ?


কি করে চিনবো তোকে
আমি নিজেরেই যে চিনি না!

দেবতার গ্রাসে,
মানুষের দীর্ঘশ্বাসে,
জগতের রুদ্ধশ্বাসে,
আমি বসে রই একা!

এই অখিল ভুবনে
এসেছিলাম তো একা!
তবু কেন সে আমাকে
মায়ের মমতায়, 
পিতার ভালোবাসায়,
সখার সাধে 
জড়িয়ে রাখে?

স্তব্ধ হিয়ার মাঝে,
চোখের পাতার ভীতরে,
আলোর অসংখ্য বুদবুদ
কেন ঘুমোতে দেয় না?

কেন এই পটে বারবার
একই ছবি ফুটে আসে?
একমাত্র শিল্পীর 
আঙ্গুলের ইশারায়,
কেন বারবার আলো 
নেভে আর জ্বলে?

যে দিকেই চাই,
দিকভ্রান্ত হয়ে যাই,
এর কোন মানে হয় না!
তবু কেন ভালো লাগে?

তাই কি বারবার
আলো জ্বলে ওঠে,
আর এই পর্দায় ভেসে ওঠে
নানা রঙের ছায়াছবিগুলো?

হাততালি পড়ে,
কান্নার অশ্রু ঝরে,
প্রেমে দুনয়ন ভাসে,
হিংসায় পরান জ্বলে!
তবু কেন মন ভরে যায় না?

কাতর কন্ঠে
আনন্দের সুর কি মানায়?
আশার চক্ষে
আশঙ্কার আগুন কি দেখায়?
এই উল্টোপাল্টা ছড়া বেঁধে
বেশ চলেছে গল্পটা!

উদ্দাম ঢেউয়ের জলে
হাবুডুবু খাওয়া পিঁপড়ের কাছে
সাগরের কূল খুঁজে পাওয়ার
নিছক কল্পনা যতখানি হাস্যকর,
তার চেয়ে অনেক বেশি
ওর দম বন্ধ করা মরম-বেদনা -
যে সে কিছুই জানে না!

-- 
১০ই ডিসেম্বর ২০২০
রাত ১০.৩০
পাটনা



Tuesday, December 8, 2020

the fall and the rise


The descent of the heavenly creeper,
was it it's longing to touch the motherly soil,
or the selfish pull of her gravitational embrace?
And the ascent of the grounded one,
pushing itself away from the restricting entangle,
aspiring to the limitlessness of the infinite blue!
The fall and the rise
of the risen and the fallen,
symbolising the longings
of an eternal union,
of the sky and the earth,
makes such a beauty
on the canvas of creation!

- nayan
Tue, 8th Dec 2020
Patna

Saturday, July 20, 2013

Bhanga-Gora

Bhanga-Gora (in English, it would mean Destruction-Creation) talks about the fragility of this mortal world - where anything or anyone that is ever created or taken birth, has to ultimately go to dust or die! But still, new creation and new life comes out from the ashes of the old - much like the mythological phoenix!



ভাঙ্গা-গড়া 

যত কিছু আছে আজ,
    দেখিবে না তাকে কাল।
মানুষের এই মেলায়ে,
    সবই
 ভাঙ্গা গড়ার খেলা। 
সবই সাজিয়ে রেখেছ কত,
    কত যত্নে স্নেহ বসত!
সুখের আড়ালে দুঃখ কত
    ঝরে পড়বে সপ্ন যত!
কাঁচের বোতল পড়িতে চায়,
    বুক দিয়ে চাই আটকাতে!
বাঁধ ভেঙ্গে নদী পালাতে চায়,
    দু হাত
 দিয়ে চাই থামাতে!
বাঁধন মোরা
 রচি যতই,
    একদিন সেতো ছিড়ে যাবেই!
ভাঙ্গা-গড়া সবই তাঁরই খেলা -
    অবোধ মোরা বুঝি না তা!

মুর্খ ছিলাম, রইলাম ও তাই!
এসেছিলাম যেমন,
    চলে যাব তেমনই ভাই!
জগতে যা কিছু গড়িবে, শোনো -
ভাঙিবে তা,
    ভাঙিবে একদিন জেনো!

তবু বলি গো -
আশা ছেড়ো না!
    ভগ্নস্তুপের ছাই দিয়েই
    তৈরি হবে -
        নব বিশ্বের কুঁড়ে ঘর!


নয়ন
Patna, Bihar
Monday, 19th Sep, 2002


© Bhaskar Jyoti Ghosh [Google+, FB]