Nayan | WritersCafe.org

Tuesday, April 8, 2025

সাগরের ঢেউ, চাঁদের টান ও সাদা রঙের অতিথি (Sea, waves, moon and white guest)



দূর থেকে উড়ে আসা ঢেউগুলো
আছড়ে পড়তে চায় পারে -
যেন তাদের আর তর সহে না!
সাগরের বিশাল দেহটি জলের -
কেন জানিনা পার খুঁজে পেতেই
আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায়!

চাঁদের পূর্ণ জোছনাকে কাছে পেয়ে
যেমন উথাল পাথাল হয়ে যায় সিন্ধু,
তেমনই হয় আবার তাকে খুঁজে না পেলে,
অসীম যন্ত্রণায়, তার বিরহের বেলায় -
বোঝালেও বুঝতে চায় না আর, চায় শুধু
পৃথিবীর বুকে সমস্ত অভিমান উগড়ে দিতে!

সেই আকুল মনের জালা,
সেই পাগল প্রণয় পালা,
জল দেহর অঙ্গ অঙ্গ করে ঘর্ষণ,
হাওয়াকেই পেয়ে দূত সে মনের মতন,
এই নোনা জলের বাষ্প ধোঁয়া -
যা নিয়ে মোর চোখের জলের ছোঁয়া!

হঠাৎ দেখা যায় আকাশে এক ঝাঁক
উড়ে যাওয়া সাদা রঙের অতিথি!
মনহারা সাগরের ঘোলাটে ফেনার ঢেউকে
চাঁদই যেন পাঠিয়েছে কথা -
শান্ত হও, ধৈর্য ধরো, দেখো চেয়ে অন্তরে,
দূরে থেকেও আছি যে কাছে!

-- ভাস্কর ঘোষ
মঙ্গলবার, 8 এপ্রিল 2025
সকাল 7:00

(গুগল জেমিনির মাধ্যমে ছবিটি তৈরি) 

Monday, April 7, 2025

যাবে নাকি হাঁটতে (Jabe Naki Hat-te)


যাবে নাকি হাঁটতে, একসাথে,
ভোরের মিষ্টি রোদ্দুরে ভাসতে?
দূর অবধি ছড়িয়ে থাকা মাঠে,
একটি ছাগল আর দুটি সারসের সাথে?
আর হাঁপিয়ে গেলে একটু হাঁপাতে,
হাঁ করে বসে থাকা চেয়ারের পাশে?
সকালের ঘুমচোখ মেটাতে এক টুকরো
বিস্কুট আর এক চুমুক চায়ের আশে,
রাঙা মাটির পথে সেই আমগাছের তলে,
যাবে নাকি সেই ছোট্ট দোকানেতে?

-- 
ভাস্কর ঘোষ
সোমবার, 7 এপ্রিল 2025
সকাল 8:00

(গুগল জেমিনির মাধ্যমে ছবিটি তৈরি)

Friday, March 21, 2025

साहिल से समंदर तक (Sahil se Samandar tak)

तू ज़िंदा है
तो क्या गम है?
क्या ये कम है -
जो तेरी आंखें नम है?

सीने में सांस है,
तभी तो आस है।
तमन्ना से विश्वास तक,
जीने का जोर तेरे पास है!

जब तक है सीने में
धड़कनों की आवाज़,
तब तक होते रहे तेरी
कोशिशों की आगाज़!

जरूरत से ही हुआ
हमेशा हर एक आविष्कार,
जद्दोजहत से ही है खुला
हमेशा क़िस्मत का द्वार।

जो जोख़िम न उठाए तू -
जोते माटी का कण कण,
तो हो कैसे बलशाली
तेरा जीवन तन मन?

हर पल तेरे पास है बोल,
समंदर का क्या लगाऊं मोल?
किनारे की कश्ती को ज़रूरत नहीं,
तू तो बूंद है, सागर ही तेरा घर है!

तैरने के लिए ही तू थी बनी,
आज कैसे क्यूं भूल गयी?
लहरों पे चलना ही तो थी
अफसाना नहीं, फ़ितरत तेरी!

तो उठ आज बुलंदी से
हो जा खड़ी, तू हो जा खड़ी।
बेख़ौफ़ तेरे बवंडरों से,
जूझने की अब आयी घड़ी!

तू नहीं है अबला,
हवाओं में उड़ा दे डर,
साहिल से समंदर का
तू आज रुख़ कर!

-- भास्कर घोष
शुक्रवार, 21 मार्च 2025
दोपहर 3:33, पटना

#PoetryDay



(image source: https://www.fizdi.com/beach-ocean-waves-prt_7809_66959-canvas-art-print-30in-x-24in)



Wednesday, February 19, 2025

বিরহে বড় হয়ে ওঠা - Birohe Boro Hoye Otha


কেমন আছিস, কোথায় আছিস,
কোন অজগাঁয়ে না জানি কত দূর?
কতজনকে তুই করলি আপন,
কেবল আমার যে বক্ষ শূন্য -
বলে মা সন্তানকে না পেয়ে।

সবাই তো পেলো তোমাকে,
শুধু আমিই যে আর পেলাম না,
একবারও কি আর ওগো,
ফিরে আসতে করে না ইচ্ছে? -
বলে প্রেমিকা প্রেমির বিরহে।

চোখটি আমার খোঁজে তোকে,
সাড়া দিস না আর যে ডাকে,
সারা জীবনের দোহাই তোকে,
কোথায় গেলি তুই রে চলে? -
বলে বোনটি ভাইকে হারিয়ে।

হাওয়ায় হাওয়ায় শব্দ ভাসে,
পুত্রের, প্রেমির, ভাইয়ের কন্ঠ আসে -
নেই গো দূরে, আমি আছি কাছেই,
চোখের চাওয়ার ঊর্ধ্বে, দেখো
আমি গেছি সকল চাওয়ার মাঝে!

ওপারেও আছে সেই একই চাঁদ
আকাশ থেকে সে দেখছে যেন
এপার-ওপারের সব জনকে,
দুপারের মাঝে পুল করেছে
চাঁদের রশ্মি, সেই চাঁদনীটাই!

তিন নারীরই কন্ঠ কাতর শুধায়,
প্রাণের আবেগ, প্রাণের বেদনায় -
তোর লাগি বুক আমার করে হায় হায়,
লাগে না ভাল কিছুই করতে রে তাই,
চোখের চাউনি জলে ভেসে যায়।

সময় হয় দূরে যাওয়ার চলে,
আবার হয় ফিরে আসারও কাছে,
দূরেই হোক বা কাছে, বলো না -
ইচ্ছে না থাকলে জোর করে কি
কাউকে কোথাও রাখা যায়?

কর্তব্য ভেবে করো না হে কিছু
ভালবেসে করো যদি পারো,
দেখবে তাতে চাপ হবে না,
কর্মফলে অনুতাপ হবে না,
আর আনন্দও পাবে তা করতে।

নিঠুর কন্ঠ তোর মলম দেয় না,
জ্ঞানের কথা মাথায় ঢোকে না,
বিরহের বেদনা আর যে পোষায় না,
দূরত্বের সময়টা যে কাটতে চায় না,
তাই মনটা কেবল অস্থির হয়ে ওঠে।

সময় দিও, ভালবেসো,
কষ্ট হবে, কিন্তু অপেক্ষা করো,
দেখবে যে টান পবিত্র,
যাতে নেই স্বার্থের লেশ,
তা তাকে ফিরিয়ে আনবে।

কোনও কিছুকে পাওয়ার ইচ্ছে থাকে,
আবার কিছু দেওয়ারও থাকে ইচ্ছে, তবে
ইচ্ছেকে কি জোর করে খাটানো যায়?
এই সহজ সত্যটা বুঝে যাও হে,
তবে মনের অস্থির ভাবটা কমে যাবে।

চোখের বুকে জলের ঢেউ ওঠে,
বুকের মাঝে কেন রুদ্ধ স্বাস লাগে,
আর যে মন মানে না মানা,
এর কি কোনও পথ নেই -
সে কি আর কভু দেবে না ধরা?

যদি ভালবাসা নিষ্পাপ হয়, ওগো
তাহলে আদায় করার চেষ্টা করবে না,
শুধু নির্ভেজাল ভালো চাইবে,
আর তবেই এক নিষ্পাপ মনকে,
জেনো, স্পর্শ করতে পারবে সে।

দূরে বা কাছে, আগে বা পরে -
জেনো এগুলো হল কেবলই ছল,
তুমি যাকে বেঁধেছো প্রাণের সাথে,
সে যে রয়েছে তোমারই প্রতিটি শ্বাসে,
তাই নয়নে আর বহিও না জল।

সত্যটা ঘনিয়ে আসে
যেন সময়ের সাথে সাথে,
আর যে এ কষ্ট পারা যায় না -
ওগো মোর প্রাণের দেবতা,
দয়া করো, তুমি দাও গো সাড়া!

একজন মানুষ অনেক সময়ই
আরেক জনকে কাছে পেতে চায়,
জগৎ-সাগরের মাঝে কখনও আবার
ক্লান্ত একজন হয়ত একান্তও চায়,
তাও সব চাওয়া কি কখনও পূরণ হয়?

কিন্তু মনের বাসনা পবিত্র হলে,
হয়তো বা তা হতেও পারে সম্ভব।
তবে তা সত্যি হোক বা নাই হোক,
তবু ভুলে যেও না, সবই যে বড় হওয়ারই পথ,
সবসময় আছে, সব জায়গাতেই কৃপা!

- ভাস্কর ঘোষ
বৃহস্পিবার, 24 অক্টোবর 2024
ভোর 4:30, ঈশা যোগ সেন্টার, কোয়েম্বাটুর

Monday, February 10, 2025

তুমি (tumi)


তুমি এলে, অনায়াসে,
আপন মনে, ভালোবেসে,
বিনা ডাকেই ঘরে এলে,
নয়নে স্বপ্নের সিন্ধু মেলে।

আমার হিয়ার শূন্য স্থানে,
ঠিক যেটা ছিল না এখানে,
যেন মনটাকে পড়ে ফেললে,
একেবারে ফিট হয়ে বসলে।

সংশয় সন্দেহ কষ্ট দগ্ধ চিত্তে,
দীর্ঘ পরীক্ষায় ভাঙলো মিথ্যে,
অজান্তেই যেন হল পাওয়া,
যে অংশটি গেছিল খোওয়া।

বিশ্ব-ভুবনে যার বৃথা সন্ধানে,
বুঝলাম শেষে যে এই এখানে,
দিয়েছিলেন (ঠাকুর) কোলেতেই ফেলে,
এত কষ্ট দেয়া-নেয়া, হায় অবহেলে!

কতবার ঠেলে দিলাম শূন্যে,
তবু কেন বারবার কোন পূণ্যে?
তুমি দোরগোড়ায় এসে ঠেকলে,
স্বপ্নটা আমারও চোখে আঁকলে।

সত্যের আলোয় থাকি স্মরণে,
নিয়ে চলো মোদের প্রভু, তব চরণে,
জীবন মরণের দিব্য দোলনে,
সকল মিলনের মহা মিলনে।

-- ভাস্কর ঘোষ
সোমবার, 10 ফেব্রুয়ারি 2025
সকাল 9:30, পাটনা